ঢাকা    মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

নওগাঁয় ব্যবসায়ীকে হত্যা: গ্রেপ্তার ২



নওগাঁয় ব্যবসায়ীকে হত্যা: গ্রেপ্তার ২
ছবি : প্রতিনিধি

নওগাঁয় পুরাতন মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় নিহত শফিকুলের ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।  

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে সদর থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।


পুলিশ সুপার বলেন, শুক্রবার (১২ জুন) সদর উপজেলার বারমাসি বিলের কচুরিপানার নিচ থেকে শফিকুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত জয়নুলকে শহরের একটি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে মান্দা উপজেলা থেকে আশরাফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর জয়নুল এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা স্বীকার করেন।

তিনি আরও বলেন, গত ৭ জুন জেলার মান্দা উপজেলা সুতিহাটে শফিকুলকে হত্যার পরিকল্পনা করে তিনজন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৮ জুন শফিকুলকে ভীমপুর কলেজ মোড়ে আসতে বললে সেখান থেকে দুইটি মোটরসাইকেলে করে বারোমাসি বিলের পার ঘাটি ব্রিজে চলে যান তারা। সেখানে হঠাৎ করে পেছন থেকে একজন রশি দিয়ে শফিকুলের গলায় টান দেন। টান দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তারকৃত আসামি জয়নুল হাত ও আশরাফুল পা চেপে ধরেন। 

মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, এরপর শফিকুল নিস্তেজ হয়ে গেলে তার মৃত্যু নিশ্চিত করতে তারা তিনজনে পানিতে ডুবিয়ে কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে রাখে। এ সময় শফিকুলের কাছে থাকা ১৫০০ টাকা ও মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। 

লোভ এবং ব্যবসায় কিছুটা লাভবান হওয়ায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এ ধরনের একটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬


নওগাঁয় ব্যবসায়ীকে হত্যা: গ্রেপ্তার ২

প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬

featured Image

নওগাঁয় পুরাতন মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় নিহত শফিকুলের ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।  

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে সদর থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।


পুলিশ সুপার বলেন, শুক্রবার (১২ জুন) সদর উপজেলার বারমাসি বিলের কচুরিপানার নিচ থেকে শফিকুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত জয়নুলকে শহরের একটি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে মান্দা উপজেলা থেকে আশরাফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর জয়নুল এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা স্বীকার করেন।

তিনি আরও বলেন, গত ৭ জুন জেলার মান্দা উপজেলা সুতিহাটে শফিকুলকে হত্যার পরিকল্পনা করে তিনজন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৮ জুন শফিকুলকে ভীমপুর কলেজ মোড়ে আসতে বললে সেখান থেকে দুইটি মোটরসাইকেলে করে বারোমাসি বিলের পার ঘাটি ব্রিজে চলে যান তারা। সেখানে হঠাৎ করে পেছন থেকে একজন রশি দিয়ে শফিকুলের গলায় টান দেন। টান দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তারকৃত আসামি জয়নুল হাত ও আশরাফুল পা চেপে ধরেন। 

মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, এরপর শফিকুল নিস্তেজ হয়ে গেলে তার মৃত্যু নিশ্চিত করতে তারা তিনজনে পানিতে ডুবিয়ে কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে রাখে। এ সময় শফিকুলের কাছে থাকা ১৫০০ টাকা ও মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। 

লোভ এবং ব্যবসায় কিছুটা লাভবান হওয়ায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এ ধরনের একটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ