১৯৭০ সালে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতে জুলে রিমে ট্রফির স্থায়ী মালিকানা পায় ব্রাজিল। ফিফার পূর্বঘোষিত নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো দল তিনবার বিশ্বকাপ জিতলে ট্রফিটি তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ফলে নতুন একটি বিশ্বকাপ ট্রফি তৈরির প্রয়োজন দেখা দেয়।
নতুন ট্রফির নকশা নির্ধারণে আন্তর্জাতিকভাবে আহ্বান জানায় ফিফা। বিভিন্ন দেশ থেকে মোট ৫৩টি নকশা জমা পড়ে। এর মধ্যে ইতালীয় ভাস্কর সিলভিও গাজ্জানিগার প্রস্তাবিত নকশাটি সবার নজর কাড়ে। দুটি মানবমূর্তি পৃথিবীর গোলককে উঁচিয়ে ধরে আছে—এমন ধারণার ওপর ভিত্তি করে তিনি একটি স্কেচ এবং নিজ হাতে তৈরি প্রোটোটাইপের ছবি জমা দেন।
শেষ পর্যন্ত গাজ্জানিগার নকশাই নির্বাচিত হয় এবং তার ভিত্তিতেই তৈরি হয় বর্তমান ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি, যা ১৯৭৪ সাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
মৃত্যুর কয়েক বছর আগে ফিফা ডটকমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গাজ্জানিগা বলেছিলেন, রুক্ষ ভিত্তি থেকে উঠে আসা দুটি মানবমূর্তি বিজয়ের উচ্ছ্বাসের প্রতীক। ট্রফির ভিত্তিতে ব্যবহৃত ম্যালাকাইট পাথরের সবুজ বৃত্ত ফুটবল মাঠের প্রতীক হিসেবে কাজ করে, আর ম্যালাকাইট নিজেও একটি মূল্যবান পাথর।
১৯৭৪ সালে পশ্চিম জার্মানি প্রথম দল হিসেবে নতুন ট্রফিটি জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করে। এরপর প্রতিটি বিশ্বকাপজয়ী দলের নাম ট্রফির ভিত্তিতে বৃত্তাকারে খোদাই করা হতে থাকে।
তবে বর্তমান ট্রফির ভিত্তিতে আর মাত্র চারটি দলের নাম যুক্ত করার জায়গা অবশিষ্ট রয়েছে। সে কারণে ধারণা করা হচ্ছে, ২০৩৮ সালের পর ফিফাকে নতুন একটি বিশ্বকাপ ট্রফি তৈরির বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হতে পারে।
এদিকে গাজ্জানিগার সেই ঐতিহাসিক স্কেচ, যা বিশ্বকাপ ট্রফির নকশা প্রতিযোগিতায় জমা দেওয়া হয়েছিল, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের রকফেলার সেন্টারে অবস্থিত ফিফার অস্থায়ী জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে।
বিষয় : বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
১৯৭০ সালে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতে জুলে রিমে ট্রফির স্থায়ী মালিকানা পায় ব্রাজিল। ফিফার পূর্বঘোষিত নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো দল তিনবার বিশ্বকাপ জিতলে ট্রফিটি তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ফলে নতুন একটি বিশ্বকাপ ট্রফি তৈরির প্রয়োজন দেখা দেয়।
নতুন ট্রফির নকশা নির্ধারণে আন্তর্জাতিকভাবে আহ্বান জানায় ফিফা। বিভিন্ন দেশ থেকে মোট ৫৩টি নকশা জমা পড়ে। এর মধ্যে ইতালীয় ভাস্কর সিলভিও গাজ্জানিগার প্রস্তাবিত নকশাটি সবার নজর কাড়ে। দুটি মানবমূর্তি পৃথিবীর গোলককে উঁচিয়ে ধরে আছে—এমন ধারণার ওপর ভিত্তি করে তিনি একটি স্কেচ এবং নিজ হাতে তৈরি প্রোটোটাইপের ছবি জমা দেন।
শেষ পর্যন্ত গাজ্জানিগার নকশাই নির্বাচিত হয় এবং তার ভিত্তিতেই তৈরি হয় বর্তমান ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি, যা ১৯৭৪ সাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
মৃত্যুর কয়েক বছর আগে ফিফা ডটকমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গাজ্জানিগা বলেছিলেন, রুক্ষ ভিত্তি থেকে উঠে আসা দুটি মানবমূর্তি বিজয়ের উচ্ছ্বাসের প্রতীক। ট্রফির ভিত্তিতে ব্যবহৃত ম্যালাকাইট পাথরের সবুজ বৃত্ত ফুটবল মাঠের প্রতীক হিসেবে কাজ করে, আর ম্যালাকাইট নিজেও একটি মূল্যবান পাথর।
১৯৭৪ সালে পশ্চিম জার্মানি প্রথম দল হিসেবে নতুন ট্রফিটি জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করে। এরপর প্রতিটি বিশ্বকাপজয়ী দলের নাম ট্রফির ভিত্তিতে বৃত্তাকারে খোদাই করা হতে থাকে।
তবে বর্তমান ট্রফির ভিত্তিতে আর মাত্র চারটি দলের নাম যুক্ত করার জায়গা অবশিষ্ট রয়েছে। সে কারণে ধারণা করা হচ্ছে, ২০৩৮ সালের পর ফিফাকে নতুন একটি বিশ্বকাপ ট্রফি তৈরির বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হতে পারে।
এদিকে গাজ্জানিগার সেই ঐতিহাসিক স্কেচ, যা বিশ্বকাপ ট্রফির নকশা প্রতিযোগিতায় জমা দেওয়া হয়েছিল, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের রকফেলার সেন্টারে অবস্থিত ফিফার অস্থায়ী জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন