সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভাইরাল ভিডিওকে গুজব ও অভিনীত কনটেন্ট হিসেবে শনাক্ত করেছে বিভিন্ন ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠান। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বাস্তব ঘটনার দাবি দিয়ে প্রচার করা অনেক ভিডিওই আসলে সাজানো দৃশ্য, পুরোনো ফুটেজ কিংবা ভিন্ন ঘটনার ভিডিও।
ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্যমতে, কিছু ভিডিও রাজনৈতিক সহিংসতা, নির্যাতন বা সাম্প্রদায়িক ঘটনার নামে প্রচার করা হলেও যাচাইয়ে সেসব দাবির সত্যতা মেলেনি। কোথাও পুরোনো ভিডিও নতুন ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে, আবার কোথাও কনটেন্ট নির্মাতাদের অভিনীত দৃশ্যকে বাস্তব ঘটনা হিসেবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হওয়া তথ্য বা ভিডিও যাচাই ছাড়া শেয়ার করা হলে বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক তৈরি হতে পারে। তাই যেকোনো তথ্য প্রচারের আগে নির্ভরযোগ্য সূত্র ও ফ্যাক্টচেক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে যাচাই করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এদিকে, গুজব প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং ভুয়া তথ্য ছড়ানো রোধে আরও কঠোর নজরদারির প্রয়োজনীয়তার কথাও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভাইরাল ভিডিওকে গুজব ও অভিনীত কনটেন্ট হিসেবে শনাক্ত করেছে বিভিন্ন ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠান। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বাস্তব ঘটনার দাবি দিয়ে প্রচার করা অনেক ভিডিওই আসলে সাজানো দৃশ্য, পুরোনো ফুটেজ কিংবা ভিন্ন ঘটনার ভিডিও।
ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্যমতে, কিছু ভিডিও রাজনৈতিক সহিংসতা, নির্যাতন বা সাম্প্রদায়িক ঘটনার নামে প্রচার করা হলেও যাচাইয়ে সেসব দাবির সত্যতা মেলেনি। কোথাও পুরোনো ভিডিও নতুন ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে, আবার কোথাও কনটেন্ট নির্মাতাদের অভিনীত দৃশ্যকে বাস্তব ঘটনা হিসেবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হওয়া তথ্য বা ভিডিও যাচাই ছাড়া শেয়ার করা হলে বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক তৈরি হতে পারে। তাই যেকোনো তথ্য প্রচারের আগে নির্ভরযোগ্য সূত্র ও ফ্যাক্টচেক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে যাচাই করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এদিকে, গুজব প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং ভুয়া তথ্য ছড়ানো রোধে আরও কঠোর নজরদারির প্রয়োজনীয়তার কথাও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন