ফরিদপুরের ভাঙ্গা টোল প্লাজা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০০ বোতল স্কাফ সিরাপসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১০)। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়।
র্যাব সূত্র জানায়, শুক্রবার (২২ মে) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১০ এর সিপিসি-৩ ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল ভাঙ্গা টোল প্লাজা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের অংশ হিসেবে মহাসড়কে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালানো হয়।
এ সময় একটি মোটরসাইকেল থামিয়ে তল্লাশি করলে ১০০ বোতল স্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র্যাব।
ঘটনাস্থল থেকে মো. সাইফুল ইসলাম (৩৩) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ থানার সুটিয়াকাঠি এলাকার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে।
র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আটক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে স্কাফ সিরাপসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সংগ্রহ করে ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিলেন।
উদ্ধার হওয়া মাদক, আটক ব্যক্তি এবং জব্দ মোটরসাইকেল আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব আরও জানায়, মাদক, অস্ত্র, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। “মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স” নীতি বাস্তবায়নে বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা টোল প্লাজা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০০ বোতল স্কাফ সিরাপসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১০)। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়।
র্যাব সূত্র জানায়, শুক্রবার (২২ মে) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১০ এর সিপিসি-৩ ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল ভাঙ্গা টোল প্লাজা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের অংশ হিসেবে মহাসড়কে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালানো হয়।
এ সময় একটি মোটরসাইকেল থামিয়ে তল্লাশি করলে ১০০ বোতল স্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র্যাব।
ঘটনাস্থল থেকে মো. সাইফুল ইসলাম (৩৩) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ থানার সুটিয়াকাঠি এলাকার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে।
র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আটক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে স্কাফ সিরাপসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সংগ্রহ করে ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিলেন।
উদ্ধার হওয়া মাদক, আটক ব্যক্তি এবং জব্দ মোটরসাইকেল আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব আরও জানায়, মাদক, অস্ত্র, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। “মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স” নীতি বাস্তবায়নে বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন