হতদরিদ্র শ্রমিক পরিবারের মেধাবী সন্তানদের উচ্চশিক্ষায় সহায়তার উদ্দেশ্যে “বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন” শিক্ষা সহায়তা প্রদান করলেও এ কার্যক্রম নিয়ে উঠেছে নানা অভিযোগ। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও জেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই শেষে ফরম-‘কক’ এর মাধ্যমে আবেদন করা শিক্ষার্থীদের অনেকেই বছরের পর বছর অপেক্ষা করেও সহায়তার অর্থ পাননি বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা শেষ করে কর্মজীবনে প্রবেশ করলেও প্রতিশ্রুত আর্থিক সহায়তা পাননি। আবার অর্থের অভাবে কেউ কেউ উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করতেও ব্যর্থ হয়েছেন। এতে হতদরিদ্র শ্রমিক পরিবারের শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম হতাশা তৈরি হয়েছে।
আরও গুরুতর অভিযোগ হলো, ফাউন্ডেশনের আবেদন ফরমে “সরকারি অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়” উল্লেখ থাকলেও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের এই শিক্ষা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে না। অথচ দেশের একটি বড় অংশের দরিদ্র ও শ্রমজীবী পরিবারের সন্তানরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে থাকেন।
এ বিষয়ে “বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন” এর মহাপরিচালক মোঃ হুমায়ুন কবির গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, বিষয়টি নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত নেই। তিনি আরও মন্তব্য করেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলে উল্লেখ করে এই সহায়তা প্রদান করা হয় না। পরে তিনি মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে কথা বলতে বলে ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, একই দেশের নাগরিক এবং সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হওয়া সত্ত্বেও কেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই ধরনের শিক্ষা সহায়তা থেকে বঞ্চিত হবেন। তারা মনে করছেন, এটি স্পষ্ট বৈষম্য তৈরি করছে।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বলছেন, দরিদ্র শ্রমিক পরিবারের সন্তানদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে হলে এ ধরনের নীতিগত সীমাবদ্ধতা পুনর্বিবেচনা করা জরুরি। পাশাপাশি আবেদন নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রিতা কমিয়ে দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে আর্থিক সহায়তা বিতরণে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
হতদরিদ্র শ্রমিক পরিবারের মেধাবী সন্তানদের উচ্চশিক্ষায় সহায়তার উদ্দেশ্যে “বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন” শিক্ষা সহায়তা প্রদান করলেও এ কার্যক্রম নিয়ে উঠেছে নানা অভিযোগ। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও জেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই শেষে ফরম-‘কক’ এর মাধ্যমে আবেদন করা শিক্ষার্থীদের অনেকেই বছরের পর বছর অপেক্ষা করেও সহায়তার অর্থ পাননি বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা শেষ করে কর্মজীবনে প্রবেশ করলেও প্রতিশ্রুত আর্থিক সহায়তা পাননি। আবার অর্থের অভাবে কেউ কেউ উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করতেও ব্যর্থ হয়েছেন। এতে হতদরিদ্র শ্রমিক পরিবারের শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম হতাশা তৈরি হয়েছে।
আরও গুরুতর অভিযোগ হলো, ফাউন্ডেশনের আবেদন ফরমে “সরকারি অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়” উল্লেখ থাকলেও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের এই শিক্ষা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে না। অথচ দেশের একটি বড় অংশের দরিদ্র ও শ্রমজীবী পরিবারের সন্তানরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে থাকেন।
এ বিষয়ে “বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন” এর মহাপরিচালক মোঃ হুমায়ুন কবির গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, বিষয়টি নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত নেই। তিনি আরও মন্তব্য করেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলে উল্লেখ করে এই সহায়তা প্রদান করা হয় না। পরে তিনি মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে কথা বলতে বলে ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, একই দেশের নাগরিক এবং সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হওয়া সত্ত্বেও কেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই ধরনের শিক্ষা সহায়তা থেকে বঞ্চিত হবেন। তারা মনে করছেন, এটি স্পষ্ট বৈষম্য তৈরি করছে।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বলছেন, দরিদ্র শ্রমিক পরিবারের সন্তানদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে হলে এ ধরনের নীতিগত সীমাবদ্ধতা পুনর্বিবেচনা করা জরুরি। পাশাপাশি আবেদন নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রিতা কমিয়ে দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে আর্থিক সহায়তা বিতরণে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন