শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ পর্যন্ত ব্যয় করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন, দক্ষ জনশক্তি গঠন এবং শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো এখন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার।
আজ রাজধানীতে ইউনিসেফ আয়োজিত একটি শিক্ষা বিষয়ক গবেষণা ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, সরকার ধাপে ধাপে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পৌঁছানোর লক্ষ্যে কাজ করছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে একটি দেশের শিক্ষা খাতে জিডিপির ৪ থেকে ৬ শতাংশ ব্যয়কে আদর্শ হিসেবে ধরা হয়। সেই মানদণ্ড বিবেচনায় বাংলাদেশও ভবিষ্যতে জিডিপির প্রায় ৫ শতাংশ পর্যন্ত ব্যয় করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তাঁর মতে, এটি শুধু বাজেট বৃদ্ধি নয়, বরং দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য একটি কৌশলগত বিনিয়োগ।
তিনি আরও বলেন, অতীতে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ তুলনামূলকভাবে কম ছিল এবং জিডিপির প্রায় ১.৭ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকায় কাঙ্ক্ষিত মান অর্জন করা সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমান সরকার সেই ঘাটতি পূরণে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি গুণগত মান উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে শিক্ষক প্রশিক্ষণ জোরদার করা, আধুনিক ও ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দক্ষতা ভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শিক্ষা খাতে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে দেশের মানবসম্পদ আরও দক্ষ হয়ে উঠবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে।
সরকারের এই পরিকল্পনাকে শিক্ষা খাতে একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা আগামী দিনে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ পর্যন্ত ব্যয় করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন, দক্ষ জনশক্তি গঠন এবং শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো এখন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার।
আজ রাজধানীতে ইউনিসেফ আয়োজিত একটি শিক্ষা বিষয়ক গবেষণা ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, সরকার ধাপে ধাপে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পৌঁছানোর লক্ষ্যে কাজ করছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে একটি দেশের শিক্ষা খাতে জিডিপির ৪ থেকে ৬ শতাংশ ব্যয়কে আদর্শ হিসেবে ধরা হয়। সেই মানদণ্ড বিবেচনায় বাংলাদেশও ভবিষ্যতে জিডিপির প্রায় ৫ শতাংশ পর্যন্ত ব্যয় করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তাঁর মতে, এটি শুধু বাজেট বৃদ্ধি নয়, বরং দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য একটি কৌশলগত বিনিয়োগ।
তিনি আরও বলেন, অতীতে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ তুলনামূলকভাবে কম ছিল এবং জিডিপির প্রায় ১.৭ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকায় কাঙ্ক্ষিত মান অর্জন করা সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমান সরকার সেই ঘাটতি পূরণে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি গুণগত মান উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে শিক্ষক প্রশিক্ষণ জোরদার করা, আধুনিক ও ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দক্ষতা ভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শিক্ষা খাতে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে দেশের মানবসম্পদ আরও দক্ষ হয়ে উঠবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে।
সরকারের এই পরিকল্পনাকে শিক্ষা খাতে একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা আগামী দিনে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন