জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খানের আলোচিত সিনেমা ‘প্রিন্স: ওনস আপন এ টাইম ইন ঢাকা’–এর সার্টিফিকেশন সনদ স্থগিত করেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড। মুক্তির প্রায় এক মাস পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ফলে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত সিনেমাটি দেশের কোনো প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শন করা যাবে না।
সিনেমাটির প্রদর্শনে অনুমোদনবিহীন গান ও দৃশ্য সংযোজনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া সেন্সর বোর্ড কর্তৃক কেটে দেওয়া কিছু দৃশ্য পুনরায় যুক্ত করা হয়েছে এবং অনুমোদনের বাইরে নতুন কনটেন্ট যোগ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সিনেমাটিতে ব্যবহৃত ধূমপান ও মাদকসংক্রান্ত সতর্কবার্তার অংশ পরিবর্তন বা টেম্পারিং করা হয়েছে, যা নিয়মবহির্ভূত বলে বিবেচনা করেছে বোর্ড। একইসঙ্গে কিছু সহিংস দৃশ্য যেগুলো আগে কর্তন করা হয়েছিল সেগুলো আবার অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টিও উঠে এসেছে।
সিনেমাটি মুক্তির পর থেকেই ভিএফএক্স, গল্পের উপস্থাপনা এবং কারিগরি মান নিয়ে দর্শক ও সমালোচকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ছিল। তবে সেন্সর সনদ স্থগিতের এই সিদ্ধান্ত বিষয়টিকে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।
চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের একাংশ মনে করছেন, এ ঘটনা দেশের সেন্সর নীতিমালা বাস্তবায়ন ও চলচ্চিত্র প্রদর্শন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। অন্যদিকে প্রযোজনা বা সংশ্লিষ্ট পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
মুক্তির এক মাসের মাথায় সেন্সর সনদ স্থগিত হওয়ায় ‘প্রিন্স’ এখন বিনোদনের পাশাপাশি নীতিগত বিতর্কের কেন্দ্রেও অবস্থান করছে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খানের আলোচিত সিনেমা ‘প্রিন্স: ওনস আপন এ টাইম ইন ঢাকা’–এর সার্টিফিকেশন সনদ স্থগিত করেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড। মুক্তির প্রায় এক মাস পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ফলে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত সিনেমাটি দেশের কোনো প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শন করা যাবে না।
সিনেমাটির প্রদর্শনে অনুমোদনবিহীন গান ও দৃশ্য সংযোজনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া সেন্সর বোর্ড কর্তৃক কেটে দেওয়া কিছু দৃশ্য পুনরায় যুক্ত করা হয়েছে এবং অনুমোদনের বাইরে নতুন কনটেন্ট যোগ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সিনেমাটিতে ব্যবহৃত ধূমপান ও মাদকসংক্রান্ত সতর্কবার্তার অংশ পরিবর্তন বা টেম্পারিং করা হয়েছে, যা নিয়মবহির্ভূত বলে বিবেচনা করেছে বোর্ড। একইসঙ্গে কিছু সহিংস দৃশ্য যেগুলো আগে কর্তন করা হয়েছিল সেগুলো আবার অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টিও উঠে এসেছে।
সিনেমাটি মুক্তির পর থেকেই ভিএফএক্স, গল্পের উপস্থাপনা এবং কারিগরি মান নিয়ে দর্শক ও সমালোচকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ছিল। তবে সেন্সর সনদ স্থগিতের এই সিদ্ধান্ত বিষয়টিকে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।
চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের একাংশ মনে করছেন, এ ঘটনা দেশের সেন্সর নীতিমালা বাস্তবায়ন ও চলচ্চিত্র প্রদর্শন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। অন্যদিকে প্রযোজনা বা সংশ্লিষ্ট পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
মুক্তির এক মাসের মাথায় সেন্সর সনদ স্থগিত হওয়ায় ‘প্রিন্স’ এখন বিনোদনের পাশাপাশি নীতিগত বিতর্কের কেন্দ্রেও অবস্থান করছে।

আপনার মতামত লিখুন