বীর মুক্তিযোদ্ধা দীনাবন্ধু রায় আর নেই। শনিবার রাতে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি বার্ধক্যজনিত কারণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে নীলফামারীতে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৪ ছেলে, ২ মেয়ে এবং অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি নীলফামারী সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন।
রবিবার (৪ মে) সকাল ১১টায় পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন করা হয়। এর আগে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় প্রশাসনের কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁকে শেষ বিদায় জানাতে বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন।
দীনাবন্ধু রায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন বলে সহযোদ্ধারা জানান। যুদ্ধকালীন সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের জন্য তিনি এলাকায় একজন সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
তাঁর মৃত্যুতে নীলফামারী জেলা ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট গভীর শোক প্রকাশ করেছে। পৃথক বিবৃতিতে তারা বলেন, তাঁর মৃত্যু দেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার বিদায়ে জাতি একজন গর্বিত সন্তানকে হারাল।
এছাড়াও জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা শোক প্রকাশ করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, দীনাবন্ধু রায়ের মৃত্যুতে শুধু একটি পরিবার নয়, পুরো এলাকার মানুষ একজন শ্রদ্ধাভাজন অভিভাবককে হারিয়েছে। তাঁর অবদান ও স্মৃতি এলাকাবাসীর হৃদয়ে চিরদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
বীর মুক্তিযোদ্ধা দীনাবন্ধু রায় আর নেই। শনিবার রাতে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি বার্ধক্যজনিত কারণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে নীলফামারীতে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৪ ছেলে, ২ মেয়ে এবং অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি নীলফামারী সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন।
রবিবার (৪ মে) সকাল ১১টায় পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন করা হয়। এর আগে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় প্রশাসনের কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁকে শেষ বিদায় জানাতে বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন।
দীনাবন্ধু রায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন বলে সহযোদ্ধারা জানান। যুদ্ধকালীন সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের জন্য তিনি এলাকায় একজন সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
তাঁর মৃত্যুতে নীলফামারী জেলা ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট গভীর শোক প্রকাশ করেছে। পৃথক বিবৃতিতে তারা বলেন, তাঁর মৃত্যু দেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার বিদায়ে জাতি একজন গর্বিত সন্তানকে হারাল।
এছাড়াও জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা শোক প্রকাশ করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, দীনাবন্ধু রায়ের মৃত্যুতে শুধু একটি পরিবার নয়, পুরো এলাকার মানুষ একজন শ্রদ্ধাভাজন অভিভাবককে হারিয়েছে। তাঁর অবদান ও স্মৃতি এলাকাবাসীর হৃদয়ে চিরদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন