নাটোরের লালপুর উপজেলায় বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আব্দুল্লাহ (৮) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার মোহরকয়া হাটপাড়া এলাকায় এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওইদিন সন্ধ্যায় অটোরিকশাচালক আল আমিন নিজ বাড়িতে অটোরিকশা চার্জ দিতে গিয়ে হঠাৎ বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়েন। বিদ্যুতের তারে আটকে তিনি অসহায়ভাবে চিৎকার করতে থাকেন। বাবার সেই আর্তনাদ শুনে ছোট্ট ছেলে আব্দুল্লাহ ছুটে আসে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা না বুঝেই বাবাকে উদ্ধার করতে গিয়ে বাবাকে স্পর্শ করলে সেও বিদ্যুতের প্রবল ঝাঁকুনিতে আক্রান্ত হয়।
এ সময় শিশুটির মা আসমা খাতুন তাৎক্ষণিকভাবে বাড়ির মেইন সুইচ বন্ধ করে সাহসিকতার পরিচয় দেন। এতে আল আমিনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও গুরুতর আহত হয়ে পড়ে শিশু আব্দুল্লাহ।
পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত আব্দুল্লাহ স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের নার্সারির শিক্ষার্থী ছিল এবং সে আল আমিন-আসমা খাতুন দম্পতির একমাত্র সন্তান। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। স্বজন ও প্রতিবেশীদের মাঝেও বিরাজ করছে শোক ও শোকস্তব্ধতা।
এ ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা এড়াতে বৈদ্যুতিক সংযোগ ব্যবহারে আরও সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
নাটোরের লালপুর উপজেলায় বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আব্দুল্লাহ (৮) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার মোহরকয়া হাটপাড়া এলাকায় এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওইদিন সন্ধ্যায় অটোরিকশাচালক আল আমিন নিজ বাড়িতে অটোরিকশা চার্জ দিতে গিয়ে হঠাৎ বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়েন। বিদ্যুতের তারে আটকে তিনি অসহায়ভাবে চিৎকার করতে থাকেন। বাবার সেই আর্তনাদ শুনে ছোট্ট ছেলে আব্দুল্লাহ ছুটে আসে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা না বুঝেই বাবাকে উদ্ধার করতে গিয়ে বাবাকে স্পর্শ করলে সেও বিদ্যুতের প্রবল ঝাঁকুনিতে আক্রান্ত হয়।
এ সময় শিশুটির মা আসমা খাতুন তাৎক্ষণিকভাবে বাড়ির মেইন সুইচ বন্ধ করে সাহসিকতার পরিচয় দেন। এতে আল আমিনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও গুরুতর আহত হয়ে পড়ে শিশু আব্দুল্লাহ।
পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত আব্দুল্লাহ স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের নার্সারির শিক্ষার্থী ছিল এবং সে আল আমিন-আসমা খাতুন দম্পতির একমাত্র সন্তান। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। স্বজন ও প্রতিবেশীদের মাঝেও বিরাজ করছে শোক ও শোকস্তব্ধতা।
এ ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা এড়াতে বৈদ্যুতিক সংযোগ ব্যবহারে আরও সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন