নীলফামারী সদর উপজেলায় ২০২৬ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে মেধাবী শিক্ষার্থী আফিয়া তাসনিম (সুবাহ)। কচুকাটা অগ্রযাত্রা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কেন্দ্র থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করেছে, যা প্রতিষ্ঠানসহ পুরো এলাকাবাসীর জন্য গর্বের বিষয় হয়ে উঠেছে।
জানা গেছে, তার রোল নম্বর ছিল ৩৭। এ কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল প্রকাশের পরপরই পরিবার, শিক্ষক এবং স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইতে শুরু করে। সবাই তার এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
আফিয়া তাসনিম (সুবাহ) একটি শিক্ষানুরাগী ও সুশিক্ষিত পরিবারে বেড়ে উঠছে। তার পিতা মো: আবু সাঈদ নীলফামারী জেলা শিক্ষা অফিসে কর্মরত। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি তার আগ্রহ এবং মা-বাবার উৎসাহ-অনুপ্রেরণা, পাশাপাশি শিক্ষকদের সঠিক দিকনির্দেশনাই তার এই অসাধারণ সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আফিয়া তাসনিম (সুবাহ) জানায়, সে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল করে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চায়। তার এই অর্জনে পরিবারের সদস্যরা মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেছেন। বিশেষ করে তার দাদা-দাদী ও নানা-নানী তার জন্য দোয়া করেছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন, সে একদিন দেশের গর্বে পরিণত হবে।
শিক্ষকরাও তাদের এই কৃতি শিক্ষার্থীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন। তারা বলেন, আফিয়া তাসনিম (সুবাহ) ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে এবং সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
আগামীতেও সফলতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আফিয়া তাসনিম (সুবাহ) সবার কাছে দোয়া কামনা করেছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
নীলফামারী সদর উপজেলায় ২০২৬ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে মেধাবী শিক্ষার্থী আফিয়া তাসনিম (সুবাহ)। কচুকাটা অগ্রযাত্রা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কেন্দ্র থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করেছে, যা প্রতিষ্ঠানসহ পুরো এলাকাবাসীর জন্য গর্বের বিষয় হয়ে উঠেছে।
জানা গেছে, তার রোল নম্বর ছিল ৩৭। এ কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল প্রকাশের পরপরই পরিবার, শিক্ষক এবং স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইতে শুরু করে। সবাই তার এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
আফিয়া তাসনিম (সুবাহ) একটি শিক্ষানুরাগী ও সুশিক্ষিত পরিবারে বেড়ে উঠছে। তার পিতা মো: আবু সাঈদ নীলফামারী জেলা শিক্ষা অফিসে কর্মরত। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি তার আগ্রহ এবং মা-বাবার উৎসাহ-অনুপ্রেরণা, পাশাপাশি শিক্ষকদের সঠিক দিকনির্দেশনাই তার এই অসাধারণ সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আফিয়া তাসনিম (সুবাহ) জানায়, সে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল করে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চায়। তার এই অর্জনে পরিবারের সদস্যরা মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেছেন। বিশেষ করে তার দাদা-দাদী ও নানা-নানী তার জন্য দোয়া করেছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন, সে একদিন দেশের গর্বে পরিণত হবে।
শিক্ষকরাও তাদের এই কৃতি শিক্ষার্থীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন। তারা বলেন, আফিয়া তাসনিম (সুবাহ) ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে এবং সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
আগামীতেও সফলতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আফিয়া তাসনিম (সুবাহ) সবার কাছে দোয়া কামনা করেছে।

আপনার মতামত লিখুন