ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ৫ কেজি গাঁজাসহ রতন মুন্সী (৩৮) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের একটি বিশেষ টিম।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ভোর রাতে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের ভাঙ্গা টোল প্লাজা এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোর ৪টা থেকে টোল প্লাজা এলাকায় অবস্থান নেয় অধিদপ্তরের সদস্যরা এবং সন্দেহভাজন যানবাহনের ওপর নজরদারি শুরু করে।
সকাল ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ফরিদপুরগামী এসকে পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বাসের একটি আসনে বসা রতন মুন্সীকে আটক করা হয়।
তল্লাশীকালে তার বহন করা একটি ব্যাগ থেকে ৩টি পৃথক প্যাকেটে মোট ৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তার কাছ থেকে একটি বাটন মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে, যা মাদক লেনদেনের কাজে ব্যবহৃত হতো বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রতন মুন্সী নিজেকে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে স্বীকার করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে ভাঙ্গা, নগরকান্দা ও সদরপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করতেন বলে জানিয়েছেন।
ঘটনার পর তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধনী ২০২০) এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ভাঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, “আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এ ধরনের অপরাধ দমনে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি।”
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই অভিযানে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা আশা করছেন, নিয়মিত এমন অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে এলাকাকে মাদকমুক্ত রাখা সম্ভব হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ৫ কেজি গাঁজাসহ রতন মুন্সী (৩৮) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের একটি বিশেষ টিম।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ভোর রাতে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের ভাঙ্গা টোল প্লাজা এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোর ৪টা থেকে টোল প্লাজা এলাকায় অবস্থান নেয় অধিদপ্তরের সদস্যরা এবং সন্দেহভাজন যানবাহনের ওপর নজরদারি শুরু করে।
সকাল ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ফরিদপুরগামী এসকে পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বাসের একটি আসনে বসা রতন মুন্সীকে আটক করা হয়।
তল্লাশীকালে তার বহন করা একটি ব্যাগ থেকে ৩টি পৃথক প্যাকেটে মোট ৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তার কাছ থেকে একটি বাটন মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে, যা মাদক লেনদেনের কাজে ব্যবহৃত হতো বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রতন মুন্সী নিজেকে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে স্বীকার করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে ভাঙ্গা, নগরকান্দা ও সদরপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করতেন বলে জানিয়েছেন।
ঘটনার পর তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধনী ২০২০) এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ভাঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, “আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এ ধরনের অপরাধ দমনে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি।”
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই অভিযানে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা আশা করছেন, নিয়মিত এমন অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে এলাকাকে মাদকমুক্ত রাখা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন