জ্বালানি তেল মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। তবে অভিযান চালিয়ে অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল ২০২৬) উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়ন এর পূর্ব সদরদী এলাকা এবং ঘারুয়া ইউনিয়ন এর ঘারুয়া বাজার সংলগ্ন কয়েকটি বাড়ি ও দোকানে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান চলাকালে দেখা যায়, যেসব স্থানে তেল মজুদের অভিযোগ ছিল, সেসব জায়গায় রাখা ড্রামগুলো খালি পাওয়া গেছে। অভিযুক্তরা জানান, গত ২০ থেকে ২৫ দিন ধরে তেলের সংকট থাকায় তারা কোনো জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারেননি এবং তাদের বিক্রয় কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাদরুল আলম সিয়াম বলেন, “অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হলেও ঘটনাস্থলে তেল মজুদের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে ভবিষ্যতে কেউ যেন অবৈধভাবে তেল মজুদ বা অতিরিক্ত দামে বিক্রি না করে, সে বিষয়ে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।”
এদিকে অভিযানের অংশ হিসেবে উপজেলার ব্রাদার্স, সুগন্ধা, হাজী এরফানউদ্দিন ও কণা ফিলিং স্টেশনেও তদারকি চালানো হয়। এসব স্টেশনের রেজিস্টার, ট্যাংকে থাকা তেলের পরিমাণ এবং সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করা হয়।
ফিলিং স্টেশন মালিকদের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, “মজুদ থাকা সাপেক্ষে কোনোভাবেই তেল সরবরাহ বন্ধ রাখা যাবে না। নিয়ম অনুযায়ী সঠিকভাবে তেল বিতরণ নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি আরও জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কৃষকদের কৃষি অফিস প্রদত্ত কার্ড ব্যবহার করে ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি সংগ্রহের আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি স্টেশনে নিয়োজিত ট্যাগ অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
জ্বালানি তেল মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। তবে অভিযান চালিয়ে অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল ২০২৬) উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়ন এর পূর্ব সদরদী এলাকা এবং ঘারুয়া ইউনিয়ন এর ঘারুয়া বাজার সংলগ্ন কয়েকটি বাড়ি ও দোকানে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান চলাকালে দেখা যায়, যেসব স্থানে তেল মজুদের অভিযোগ ছিল, সেসব জায়গায় রাখা ড্রামগুলো খালি পাওয়া গেছে। অভিযুক্তরা জানান, গত ২০ থেকে ২৫ দিন ধরে তেলের সংকট থাকায় তারা কোনো জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারেননি এবং তাদের বিক্রয় কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাদরুল আলম সিয়াম বলেন, “অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হলেও ঘটনাস্থলে তেল মজুদের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে ভবিষ্যতে কেউ যেন অবৈধভাবে তেল মজুদ বা অতিরিক্ত দামে বিক্রি না করে, সে বিষয়ে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।”
এদিকে অভিযানের অংশ হিসেবে উপজেলার ব্রাদার্স, সুগন্ধা, হাজী এরফানউদ্দিন ও কণা ফিলিং স্টেশনেও তদারকি চালানো হয়। এসব স্টেশনের রেজিস্টার, ট্যাংকে থাকা তেলের পরিমাণ এবং সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করা হয়।
ফিলিং স্টেশন মালিকদের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, “মজুদ থাকা সাপেক্ষে কোনোভাবেই তেল সরবরাহ বন্ধ রাখা যাবে না। নিয়ম অনুযায়ী সঠিকভাবে তেল বিতরণ নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি আরও জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কৃষকদের কৃষি অফিস প্রদত্ত কার্ড ব্যবহার করে ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি সংগ্রহের আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি স্টেশনে নিয়োজিত ট্যাগ অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন