বাগেরহাটের রামপালে বর-কনেসহ ১৪ জনের প্রাণ কেড়ে নেওয়া ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে দেশের সড়ক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ। নিজের যাচাইকৃত ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, খুলনা-মোংলা মহাসড়কে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় তিনি অত্যন্ত ব্যথিত ও শোকাহত।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে রামপাল উপজেলার বেলাইব্রিজ এলাকায় বিয়ে করে বাড়ি ফেরার পথে নৌবাহিনীর একটি বাস ও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের ৯ জন ছিলেন।
শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, যুদ্ধকবলিত দেশ ছাড়া একই সঙ্গে একটি পরিবারের ৯ জনসহ মোট ১৪ জন মানুষের মৃত্যু সচরাচর ঘটে না। তাঁর ভাষায়, রাস্তায় বের হওয়া মানেই এখন যুদ্ধের ময়দানে নামার মতো জীবনের শঙ্কা বুকে নিয়ে বের হওয়া। দেশের সড়কের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ফিটনেসবিহীন গাড়ি, প্রশিক্ষণহীন চালক, ট্রাফিক আইনের প্রতি উদাসীনতা আর ভাঙাচোরা রাস্তা মিলিয়ে প্রতিটি মোড় যেন একেকটি মৃত্যুকূপে পরিণত হয়েছে।
সরকার থেকে শুরু করে বাস মালিক, চালক এবং সাধারণ নাগরিক সবাইকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান শায়খ আহমাদুল্লাহ। তিনি বলেন, ট্রাফিক আইন মানা এবং নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে সবাই যদি সচেতন না হন, তাহলে এই ধরনের নির্মম মৃত্যু বারবার দেখতে হবে।
সবশেষে তিনি সড়কে সুশাসনের প্রশ্নটিকে বিলাসিতা নয়, মানুষের জীবনরক্ষার অপরিহার্য শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, এই সুশাসন নিশ্চিত না হলে বিয়ের যাত্রা হোক কিংবা ঈদের আনন্দভ্রমণ, যেকোনো যাত্রাই মুহূর্তের মধ্যে শেষযাত্রায় পরিণত হতে পারে। নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তিনি স্বজনদের ধৈর্য ধারণের তওফিক দানের জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
বাগেরহাটের রামপালে বর-কনেসহ ১৪ জনের প্রাণ কেড়ে নেওয়া ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে দেশের সড়ক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ। নিজের যাচাইকৃত ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, খুলনা-মোংলা মহাসড়কে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় তিনি অত্যন্ত ব্যথিত ও শোকাহত।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে রামপাল উপজেলার বেলাইব্রিজ এলাকায় বিয়ে করে বাড়ি ফেরার পথে নৌবাহিনীর একটি বাস ও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের ৯ জন ছিলেন।
শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, যুদ্ধকবলিত দেশ ছাড়া একই সঙ্গে একটি পরিবারের ৯ জনসহ মোট ১৪ জন মানুষের মৃত্যু সচরাচর ঘটে না। তাঁর ভাষায়, রাস্তায় বের হওয়া মানেই এখন যুদ্ধের ময়দানে নামার মতো জীবনের শঙ্কা বুকে নিয়ে বের হওয়া। দেশের সড়কের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ফিটনেসবিহীন গাড়ি, প্রশিক্ষণহীন চালক, ট্রাফিক আইনের প্রতি উদাসীনতা আর ভাঙাচোরা রাস্তা মিলিয়ে প্রতিটি মোড় যেন একেকটি মৃত্যুকূপে পরিণত হয়েছে।
সরকার থেকে শুরু করে বাস মালিক, চালক এবং সাধারণ নাগরিক সবাইকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান শায়খ আহমাদুল্লাহ। তিনি বলেন, ট্রাফিক আইন মানা এবং নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে সবাই যদি সচেতন না হন, তাহলে এই ধরনের নির্মম মৃত্যু বারবার দেখতে হবে।
সবশেষে তিনি সড়কে সুশাসনের প্রশ্নটিকে বিলাসিতা নয়, মানুষের জীবনরক্ষার অপরিহার্য শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, এই সুশাসন নিশ্চিত না হলে বিয়ের যাত্রা হোক কিংবা ঈদের আনন্দভ্রমণ, যেকোনো যাত্রাই মুহূর্তের মধ্যে শেষযাত্রায় পরিণত হতে পারে। নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তিনি স্বজনদের ধৈর্য ধারণের তওফিক দানের জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।

আপনার মতামত লিখুন