ভাঙ্গা উপজেলা-এ দেশের অন্যান্য স্থানের মতোই জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংকটের প্রভাব পড়েছে। সংকটময় এ পরিস্থিতিতে উপজেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে গ্রাহকের চাহিদার তুলনায় পেট্রোল ও ডিজেলের সরবরাহ কম থাকায় সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি করা হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বেশিরভাগ মোটরসাইকেলে ১০০ থেকে ২০০ টাকার বেশি পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে না। মোটরসাইকেল চালকদের দাবি, অনেক ক্ষেত্রেই ১০০ টাকার বেশি পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে না। ফলে দূরপাল্লার যাত্রায় তাদের নানা ধরনের সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।
মোটরসাইকেল চালক দেবজ্যোতি বণিক জানান, তিনি ২০০ টাকার পেট্রোল পেয়েছেন, যা দিয়ে আপাতত দু-একদিনের সমস্যার সমাধান হয়েছে। অন্যদিকে ব্যবসায়ী জেলাল হোসেন বলেন, তিনি মোটরসাইকেলে পেট্রোল নিতে গেলে তাকে মাত্র ১০০ টাকার পেট্রোল দেওয়া হয়েছে, যদিও তার আরও বেশি প্রয়োজন ছিল।
স্থানীয় সাংবাদিক রিপন শেখ জানান, শুক্রবার দুপুরে তিনি ভাঙ্গার কণা ফিলিং স্টেশন থেকে তার মোটরসাইকেলে ১০০ টাকার পেট্রোল নিয়েছেন। এতে আপাতত তার সমস্যার কিছুটা সমাধান হয়েছে।
অন্যদিকে সুগন্ধা পেট্রোল পাম্প-এর কর্মচারী সাঈদ হাসান বাবুল জানান, গ্রাহকদের চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত পেট্রোল সরবরাহ না থাকায় মোটরসাইকেল প্রতি ১০০ টাকার পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে, বিশেষ প্রয়োজনে ২০০ টাকাও দেওয়া হয়। বড় বাস বা মিনিবাসে ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকার ডিজেল সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে কাউকে খালি হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে না।
এদিকে কণা ফিলিং স্টেশন-এর কর্মচারী রাকিবুল ইসলাম বলেন, পেট্রোলের সরবরাহ কম থাকায় সীমিত পরিমাণে ১০০ বা ২০০ টাকার পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে। তবে শুক্রবার রাতে নতুন একটি তেলের চালান আসার কথা রয়েছে। সেটি এলে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পাম্পটির ম্যানেজার মো. শাহ আলম জানান, সরবরাহ কম থাকায় গ্রাহকদের চাহিদা পুরোপুরি মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে নতুন সরবরাহ এলে রাত থেকেই পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করছেন তারা।
পাম্প সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, অনেক মোটরসাইকেল চালক এক পাম্প থেকে ১০০ বা ২০০ টাকার তেল নিয়ে অন্য পাম্পে গিয়েও আবার তেল নিচ্ছেন। এতে চাহিদা আরও বেড়ে যাচ্ছে এবং সাময়িক সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
ভাঙ্গা উপজেলা-এ দেশের অন্যান্য স্থানের মতোই জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংকটের প্রভাব পড়েছে। সংকটময় এ পরিস্থিতিতে উপজেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে গ্রাহকের চাহিদার তুলনায় পেট্রোল ও ডিজেলের সরবরাহ কম থাকায় সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি করা হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বেশিরভাগ মোটরসাইকেলে ১০০ থেকে ২০০ টাকার বেশি পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে না। মোটরসাইকেল চালকদের দাবি, অনেক ক্ষেত্রেই ১০০ টাকার বেশি পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে না। ফলে দূরপাল্লার যাত্রায় তাদের নানা ধরনের সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।
মোটরসাইকেল চালক দেবজ্যোতি বণিক জানান, তিনি ২০০ টাকার পেট্রোল পেয়েছেন, যা দিয়ে আপাতত দু-একদিনের সমস্যার সমাধান হয়েছে। অন্যদিকে ব্যবসায়ী জেলাল হোসেন বলেন, তিনি মোটরসাইকেলে পেট্রোল নিতে গেলে তাকে মাত্র ১০০ টাকার পেট্রোল দেওয়া হয়েছে, যদিও তার আরও বেশি প্রয়োজন ছিল।
স্থানীয় সাংবাদিক রিপন শেখ জানান, শুক্রবার দুপুরে তিনি ভাঙ্গার কণা ফিলিং স্টেশন থেকে তার মোটরসাইকেলে ১০০ টাকার পেট্রোল নিয়েছেন। এতে আপাতত তার সমস্যার কিছুটা সমাধান হয়েছে।
অন্যদিকে সুগন্ধা পেট্রোল পাম্প-এর কর্মচারী সাঈদ হাসান বাবুল জানান, গ্রাহকদের চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত পেট্রোল সরবরাহ না থাকায় মোটরসাইকেল প্রতি ১০০ টাকার পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে, বিশেষ প্রয়োজনে ২০০ টাকাও দেওয়া হয়। বড় বাস বা মিনিবাসে ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকার ডিজেল সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে কাউকে খালি হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে না।
এদিকে কণা ফিলিং স্টেশন-এর কর্মচারী রাকিবুল ইসলাম বলেন, পেট্রোলের সরবরাহ কম থাকায় সীমিত পরিমাণে ১০০ বা ২০০ টাকার পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে। তবে শুক্রবার রাতে নতুন একটি তেলের চালান আসার কথা রয়েছে। সেটি এলে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পাম্পটির ম্যানেজার মো. শাহ আলম জানান, সরবরাহ কম থাকায় গ্রাহকদের চাহিদা পুরোপুরি মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে নতুন সরবরাহ এলে রাত থেকেই পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করছেন তারা।
পাম্প সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, অনেক মোটরসাইকেল চালক এক পাম্প থেকে ১০০ বা ২০০ টাকার তেল নিয়ে অন্য পাম্পে গিয়েও আবার তেল নিচ্ছেন। এতে চাহিদা আরও বেড়ে যাচ্ছে এবং সাময়িক সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠছে।

আপনার মতামত লিখুন