চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা এর জাফরাবাদ এলাকায় অবস্থিত জাফরাবাদ সিনিয়র মাদরাসা ও এতিমখানা প্রাঙ্গণে এতিম ও অসহায় মানুষের কল্যাণে এক মানবিক ও সামাজিক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি নুরুচ্ছফা-এর সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র শিক্ষক মাহমুদুল কবির (বি.এসসি.)-এর সঞ্চালনায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল কাসেম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর আবদুল্লাহ মুহাম্মদ আবুল বশর, আবুল কালাম আজাদ, মুহাম্মদ শহীদ, মাওলানা এনামুল হক, মাওলানা শফিকুল ইসলাম, মাওলানা জয়নুল আবেদীন ও সাঈদ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে মাদরাসার এতিম ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করা হয়। তাদের জন্য পোশাক হিসেবে পাঞ্জাবি-পায়জামা, শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল, শিক্ষা উপকরণ হিসেবে খাতা-কলম এবং নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের কথা বিবেচনা করে বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া সামগ্রীও বিতরণ করা হয়। এসব সহায়তা পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং তারা আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
অনুষ্ঠানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান। এ উপলক্ষে একটি ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প পরিচালনা করা হয়, যেখানে এলাকার অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়। এ উদ্যোগের মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়েছে বলে উপস্থিত অতিথিরা মন্তব্য করেন।
এছাড়া পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় বক্তারা মানবসেবা, দান-সদকার গুরুত্ব এবং এতিম ও অসহায় মানুষের প্রতি সমাজের দায়িত্ববোধ সম্পর্কে আলোকপাত করেন। তারা বলেন, সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষ সম্মিলিতভাবে এগিয়ে এলে এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা সম্ভব।
বক্তারা আরও বলেন, এতিম ও অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো শুধু মানবিক দায়িত্বই নয়, বরং এটি একটি মহৎ সামাজিক কর্তব্য। এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে সহমর্মিতা, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে এবং নতুন প্রজন্মকে মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করে।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিবৃন্দ মাদরাসার শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে মানবিক ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানান।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা এর জাফরাবাদ এলাকায় অবস্থিত জাফরাবাদ সিনিয়র মাদরাসা ও এতিমখানা প্রাঙ্গণে এতিম ও অসহায় মানুষের কল্যাণে এক মানবিক ও সামাজিক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি নুরুচ্ছফা-এর সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র শিক্ষক মাহমুদুল কবির (বি.এসসি.)-এর সঞ্চালনায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল কাসেম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর আবদুল্লাহ মুহাম্মদ আবুল বশর, আবুল কালাম আজাদ, মুহাম্মদ শহীদ, মাওলানা এনামুল হক, মাওলানা শফিকুল ইসলাম, মাওলানা জয়নুল আবেদীন ও সাঈদ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে মাদরাসার এতিম ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করা হয়। তাদের জন্য পোশাক হিসেবে পাঞ্জাবি-পায়জামা, শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল, শিক্ষা উপকরণ হিসেবে খাতা-কলম এবং নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের কথা বিবেচনা করে বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া সামগ্রীও বিতরণ করা হয়। এসব সহায়তা পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং তারা আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
অনুষ্ঠানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান। এ উপলক্ষে একটি ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প পরিচালনা করা হয়, যেখানে এলাকার অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়। এ উদ্যোগের মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়েছে বলে উপস্থিত অতিথিরা মন্তব্য করেন।
এছাড়া পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় বক্তারা মানবসেবা, দান-সদকার গুরুত্ব এবং এতিম ও অসহায় মানুষের প্রতি সমাজের দায়িত্ববোধ সম্পর্কে আলোকপাত করেন। তারা বলেন, সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষ সম্মিলিতভাবে এগিয়ে এলে এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা সম্ভব।
বক্তারা আরও বলেন, এতিম ও অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো শুধু মানবিক দায়িত্বই নয়, বরং এটি একটি মহৎ সামাজিক কর্তব্য। এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে সহমর্মিতা, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে এবং নতুন প্রজন্মকে মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করে।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিবৃন্দ মাদরাসার শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে মানবিক ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন