ঢাকা রাজধানীর পুরান ঢাকার নারিন্দা এলাকায় একটি ভবনে এসি বিস্ফোরণের ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। বর্তমানে তারা আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ওয়ারী থানার নারিন্দা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন ব্যবসায়ী মুক্তার ব্যাপারী, তার স্ত্রী সেলিনা বেগম এবং তাদের ছেলে সেলিম ব্যাপারী। ঘটনার পরপরই তাদের উদ্ধার করে দ্রুত শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
ওয়ারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মফিজুর রহমান জানান, বাসার ভেতরে থাকা এসির গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ফলে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে, বাসার দেয়াল ভেঙে পাশের একটি টিনশেড বাড়ির ওপর পড়ে। এতে ওই টিনশেড ঘরের এক নারীও আহত হয়েছেন। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, মুক্তার ব্যাপারী ফ্রিজ ও এসির যন্ত্রাংশের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তিনি বাসার ভেতর বিক্রির জন্য কিছু মালামাল মজুত করে রেখেছিলেন, যেখান থেকেই বিস্ফোরণটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান দগ্ধদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, চিকিৎসাধীন মুক্তার ব্যাপারীর শরীরের ২২ শতাংশ, সেলিনা বেগমের ৩০ শতাংশ এবং তাদের ছেলে সেলিম ব্যাপারীর শরীরের ১০০ শতাংশই পুড়ে গেছে। দগ্ধ তিনজনের অবস্থাই বর্তমানে অত্যন্ত সংকটাপন্ন।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে। আবাসিক এলাকায় বাণিজ্যিক মালামাল ও গ্যাস সিলিন্ডার মজুত রাখার বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা রাজধানীর পুরান ঢাকার নারিন্দা এলাকায় একটি ভবনে এসি বিস্ফোরণের ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। বর্তমানে তারা আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ওয়ারী থানার নারিন্দা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন ব্যবসায়ী মুক্তার ব্যাপারী, তার স্ত্রী সেলিনা বেগম এবং তাদের ছেলে সেলিম ব্যাপারী। ঘটনার পরপরই তাদের উদ্ধার করে দ্রুত শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
ওয়ারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মফিজুর রহমান জানান, বাসার ভেতরে থাকা এসির গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ফলে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে, বাসার দেয়াল ভেঙে পাশের একটি টিনশেড বাড়ির ওপর পড়ে। এতে ওই টিনশেড ঘরের এক নারীও আহত হয়েছেন। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, মুক্তার ব্যাপারী ফ্রিজ ও এসির যন্ত্রাংশের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তিনি বাসার ভেতর বিক্রির জন্য কিছু মালামাল মজুত করে রেখেছিলেন, যেখান থেকেই বিস্ফোরণটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান দগ্ধদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, চিকিৎসাধীন মুক্তার ব্যাপারীর শরীরের ২২ শতাংশ, সেলিনা বেগমের ৩০ শতাংশ এবং তাদের ছেলে সেলিম ব্যাপারীর শরীরের ১০০ শতাংশই পুড়ে গেছে। দগ্ধ তিনজনের অবস্থাই বর্তমানে অত্যন্ত সংকটাপন্ন।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে। আবাসিক এলাকায় বাণিজ্যিক মালামাল ও গ্যাস সিলিন্ডার মজুত রাখার বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন