শেরপুর-১ (সদর) আসনটি দীর্ঘ সময় আওয়ামী লীগের দখলে থাকলেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনটি দখলে নিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম। এই আসনে প্রায় ৩০ বছর ধরে আওয়ামী লীগের দখল ছিল, এবার সেই ধারাবাহিকতা ভেঙে যায়।
শেরপুর-১ আসনটি স্বাধীনতার পর বিভিন্ন দফায় হাতবদল হয়েছে। দুই দফা বিএনপির দখলে ছিল, যার মধ্যে ১৯৯৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনও রয়েছে। পরে দুই দফা জাতীয় পার্টির দখলে যায়। সর্বশেষ ছয় দফায় প্রায় ১৯৯৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মোটামুটি ৩০ বছর আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেই দীর্ঘ ধারাবাহিকতা ভেঙে জয়ী হন হাফেজ রাশেদুল ইসলাম। তিনি আগে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পট পরিবর্তনের পর তিনি এলাকায় এসে একটানা নির্বাচনি কাজ করেন।
এ আসনে ২০০১ ও ২০০৮ সালে চার দলীয় জোট হিসেবে বিএনপি জামায়াতকে আসনটি ছেড়ে দেয়। সে সময় জামায়াতের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল শহীদ কামারুজ্জামান নির্বাচন করেন, কিন্তু কোনোবারই জয়ী হতে পারেননি। এর আগে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালেও দলীয়ভাবে নির্বাচন করে তিনি পরাজিত হন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শেরপুর-১ (সদর) আসনটি দীর্ঘ সময় আওয়ামী লীগের দখলে থাকলেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনটি দখলে নিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম। এই আসনে প্রায় ৩০ বছর ধরে আওয়ামী লীগের দখল ছিল, এবার সেই ধারাবাহিকতা ভেঙে যায়।
শেরপুর-১ আসনটি স্বাধীনতার পর বিভিন্ন দফায় হাতবদল হয়েছে। দুই দফা বিএনপির দখলে ছিল, যার মধ্যে ১৯৯৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনও রয়েছে। পরে দুই দফা জাতীয় পার্টির দখলে যায়। সর্বশেষ ছয় দফায় প্রায় ১৯৯৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মোটামুটি ৩০ বছর আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেই দীর্ঘ ধারাবাহিকতা ভেঙে জয়ী হন হাফেজ রাশেদুল ইসলাম। তিনি আগে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পট পরিবর্তনের পর তিনি এলাকায় এসে একটানা নির্বাচনি কাজ করেন।
এ আসনে ২০০১ ও ২০০৮ সালে চার দলীয় জোট হিসেবে বিএনপি জামায়াতকে আসনটি ছেড়ে দেয়। সে সময় জামায়াতের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল শহীদ কামারুজ্জামান নির্বাচন করেন, কিন্তু কোনোবারই জয়ী হতে পারেননি। এর আগে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালেও দলীয়ভাবে নির্বাচন করে তিনি পরাজিত হন।

আপনার মতামত লিখুন