ঢাকা    বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সিলেট-৬ আসনে ৩৩ প্রার্থীর মধ্যে ২০ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত



সিলেট-৬ আসনে ৩৩ প্রার্থীর মধ্যে ২০ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেটের ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ৩৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এর মধ্যে ২০ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী মোট প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টমাংশের কম ভোট পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই বিধান অনুসারেই সিলেটের বিভিন্ন আসনে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন।

সিলেট-১ আসনে মোট ভোট পড়েছে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৫৩৯টি। এ আসনে জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল কমপক্ষে ৪০ হাজার ৬৯২ ভোট। বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী ছাড়া বাকি ছয়জন প্রার্থী নির্ধারিত ভোটের নিচে থাকায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। জামানত হারানোদের মধ্যে রয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাহমুদুল হাসান, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের প্রণব জ্যোতি পাল, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)-এর সঞ্জয় কান্ত দাস, গণঅধিকার পরিষদের আকমল হোসেন এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. শামীম মিয়া।

সিলেট-২ আসনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫০৭টি। এখানে জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ২০ হাজার ৫৬৩ ভোট। এই আসনে জাতীয় পার্টির মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আমির উদ্দিন এবং গণফোরামের মো. মজিবুল হক নির্ধারিত ভোটসংখ্যার নিচে থাকায় জামানত হারিয়েছেন।

সিলেট-৩ আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪ হাজার ৬৪৭টি। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ২৫ হাজার ৫৮১ ভোট। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মইনুল বাকর, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তাকিম রাজা চৌধুরী, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আতিকুর রহমান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রেদওয়ানুল হক চৌধুরী প্রয়োজনীয় ভোট অর্জন করতে না পারায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

সিলেট-৪ আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৭০ হাজার ৫৬৫টি এবং জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩৩ হাজার ৮২১ ভোট। গণঅধিকার পরিষদের জহিরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা সাইদ আহমদ এবং জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান ডালিম নির্ধারিত ভোটসংখ্যার নিচে থাকায় জামানত হারিয়েছেন।

সিলেট-৫ আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৫১৮টি। এখানে জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ২৬ হাজার ৪৩৯ ভোট। বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. বিলাল উদ্দিন মাত্র ৩৭২ ভোট পেয়ে জামানত হারান।

সিলেট-৬ আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৬৯৬টি। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩০ হাজার ৪৬২ ভোট। গণঅধিকার পরিষদের জাহিদুর রহমান, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আবদুল নূর এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ফখরুল ইসলাম প্রয়োজনীয় ভোটসংখ্যার নিচে থাকায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেটের ছয়টি আসনের মধ্যে সিলেট-১ আসনে আটজন, সিলেট-২ আসনে পাঁচজন, সিলেট-৩ আসনে ছয়জন, সিলেট-৪ আসনে পাঁচজন, সিলেট-৫ আসনে চারজন এবং সিলেট-৬ আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ভোট অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় ২০ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬


সিলেট-৬ আসনে ৩৩ প্রার্থীর মধ্যে ২০ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত

প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেটের ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ৩৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এর মধ্যে ২০ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী মোট প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টমাংশের কম ভোট পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই বিধান অনুসারেই সিলেটের বিভিন্ন আসনে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন।

সিলেট-১ আসনে মোট ভোট পড়েছে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৫৩৯টি। এ আসনে জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল কমপক্ষে ৪০ হাজার ৬৯২ ভোট। বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী ছাড়া বাকি ছয়জন প্রার্থী নির্ধারিত ভোটের নিচে থাকায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। জামানত হারানোদের মধ্যে রয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাহমুদুল হাসান, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের প্রণব জ্যোতি পাল, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)-এর সঞ্জয় কান্ত দাস, গণঅধিকার পরিষদের আকমল হোসেন এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. শামীম মিয়া।

সিলেট-২ আসনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫০৭টি। এখানে জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ২০ হাজার ৫৬৩ ভোট। এই আসনে জাতীয় পার্টির মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আমির উদ্দিন এবং গণফোরামের মো. মজিবুল হক নির্ধারিত ভোটসংখ্যার নিচে থাকায় জামানত হারিয়েছেন।

সিলেট-৩ আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪ হাজার ৬৪৭টি। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ২৫ হাজার ৫৮১ ভোট। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মইনুল বাকর, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তাকিম রাজা চৌধুরী, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আতিকুর রহমান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রেদওয়ানুল হক চৌধুরী প্রয়োজনীয় ভোট অর্জন করতে না পারায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

সিলেট-৪ আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৭০ হাজার ৫৬৫টি এবং জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩৩ হাজার ৮২১ ভোট। গণঅধিকার পরিষদের জহিরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা সাইদ আহমদ এবং জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান ডালিম নির্ধারিত ভোটসংখ্যার নিচে থাকায় জামানত হারিয়েছেন।

সিলেট-৫ আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৫১৮টি। এখানে জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ২৬ হাজার ৪৩৯ ভোট। বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. বিলাল উদ্দিন মাত্র ৩৭২ ভোট পেয়ে জামানত হারান।

সিলেট-৬ আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৬৯৬টি। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩০ হাজার ৪৬২ ভোট। গণঅধিকার পরিষদের জাহিদুর রহমান, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আবদুল নূর এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ফখরুল ইসলাম প্রয়োজনীয় ভোটসংখ্যার নিচে থাকায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেটের ছয়টি আসনের মধ্যে সিলেট-১ আসনে আটজন, সিলেট-২ আসনে পাঁচজন, সিলেট-৩ আসনে ছয়জন, সিলেট-৪ আসনে পাঁচজন, সিলেট-৫ আসনে চারজন এবং সিলেট-৬ আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ভোট অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় ২০ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০২৪১০৯১৭৩০
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: 01711-070054

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ