চুয়াডাঙ্গা শহরের ফার্মপাড়া এলাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলকে কেন্দ্র করে বিজয়ের আনন্দ উদযাপনের সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর এক কর্মী ইন্তেকাল করেছেন। নিহত ফজলুর রহমান (৫৫) চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ফার্মপাড়া এলাকার বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে তিনি মারা যান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোটগ্রহণ শেষে সন্ধ্যার দিক থেকে বিভিন্ন কেন্দ্রের ফলাফল আসতে থাকে। এতে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল এগিয়ে রয়েছেন—এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে ফার্মপাড়া ও নুরনগর কলোনি এলাকায় নেতা-কর্মীরা বিজয় উদযাপন শুরু করেন। এ সময় কলোনি পাড়ায় অবস্থানকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন দিনমজুর ফজলুর রহমান।
উপস্থিত নেতা-কর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন।
এদিকে স্থানীয়রা জানান, নির্বাচনে জামায়াতের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে চার দিন আগে বিএনপির কিছু ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর বিরোধ ও মারধরের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ফজলুর রহমানের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি নুরনগর কলোনি পাড়ার বাসিন্দা নুর ইসলামের ছেলে এবং ইসলামী আন্দোলনের একজন একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
এ ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মাসুদ পারভেজ রাসেল। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, ফজলুর রহমান আদর্শ ও ন্যায়ের পথে অবিচল থেকে সংগঠনের জন্য যে ত্যাগ ও শ্রম দিয়েছেন, তা সবার জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তাঁর মৃত্যু শুধু পরিবারের জন্য নয়, আদর্শিক অঙ্গনের জন্যও এক অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও সহযোদ্ধাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা শহরের ফার্মপাড়া এলাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলকে কেন্দ্র করে বিজয়ের আনন্দ উদযাপনের সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর এক কর্মী ইন্তেকাল করেছেন। নিহত ফজলুর রহমান (৫৫) চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ফার্মপাড়া এলাকার বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে তিনি মারা যান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোটগ্রহণ শেষে সন্ধ্যার দিক থেকে বিভিন্ন কেন্দ্রের ফলাফল আসতে থাকে। এতে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল এগিয়ে রয়েছেন—এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে ফার্মপাড়া ও নুরনগর কলোনি এলাকায় নেতা-কর্মীরা বিজয় উদযাপন শুরু করেন। এ সময় কলোনি পাড়ায় অবস্থানকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন দিনমজুর ফজলুর রহমান।
উপস্থিত নেতা-কর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন।
এদিকে স্থানীয়রা জানান, নির্বাচনে জামায়াতের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে চার দিন আগে বিএনপির কিছু ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর বিরোধ ও মারধরের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ফজলুর রহমানের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি নুরনগর কলোনি পাড়ার বাসিন্দা নুর ইসলামের ছেলে এবং ইসলামী আন্দোলনের একজন একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
এ ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মাসুদ পারভেজ রাসেল। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, ফজলুর রহমান আদর্শ ও ন্যায়ের পথে অবিচল থেকে সংগঠনের জন্য যে ত্যাগ ও শ্রম দিয়েছেন, তা সবার জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তাঁর মৃত্যু শুধু পরিবারের জন্য নয়, আদর্শিক অঙ্গনের জন্যও এক অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও সহযোদ্ধাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

আপনার মতামত লিখুন