চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কালিদাসপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৬ জন জামায়াত কর্মী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাতটার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে কয়েকজন আহত হন।
আহতরা হলেন—লুৎফর রহমান (৫৫), তার ছেলে আবু হাসান (২৩), আবু বক্কর সিদ্দিক (৬০), ইকরামুল হক (৪৫), শমিক (২১), আতিয়ার রহমান (৫০) ও শরিফুল ইসলাম (৪৮)। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
আলমডাঙ্গা থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল বলেন, ফলাফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানায়, এলাকায় অতিরিক্ত নজরদারি রাখা হয়েছে যাতে নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কালিদাসপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৬ জন জামায়াত কর্মী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাতটার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে কয়েকজন আহত হন।
আহতরা হলেন—লুৎফর রহমান (৫৫), তার ছেলে আবু হাসান (২৩), আবু বক্কর সিদ্দিক (৬০), ইকরামুল হক (৪৫), শমিক (২১), আতিয়ার রহমান (৫০) ও শরিফুল ইসলাম (৪৮)। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
আলমডাঙ্গা থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল বলেন, ফলাফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানায়, এলাকায় অতিরিক্ত নজরদারি রাখা হয়েছে যাতে নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

আপনার মতামত লিখুন