পাবনার চাটমোহরে মধ্যরাতে জামায়াত নেতাদের সাথে গোপন বৈঠক করার অভিযোগে পাবনা-৩ (চাটমোহর, ভাঙ্গুরা, ফরিদপুর) আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসারসহ দুইজন সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। গোপন বৈঠকের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
প্রত্যাহারকৃত মো. সুজন মাহমুদ (রাকাব হান্ডিয়াল শাখার কর্মকর্তা) চাটমোহর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের চড়ইকোল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার ছিলেন। তবে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহারকৃত দুইজন সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের নাম জানা যায়নি।
জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর নেতা আওয়ালসহ কয়েকজন গত বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে প্রিসাইডিং অফিসার সুজন মাহমুদের সাথে গোপন বৈঠক করেন। এই সময় নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী অন্য প্রার্থীদের কর্মী ও সমর্থকদের মাঝে বিষয়টি জানাজানি হয়।
ঘটনাটি সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের চৌধুরীকে অবগত করা হলে তিনি পাবনা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার শাহেদ মোস্তফার নির্দেশে প্রিসাইডিং অফিসার সুজন মাহমুদসহ দুইজন সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারকে প্রত্যাহার করেন।
জামায়াত নেতাদের মধ্যরাতে প্রিসাইডিং অফিসারের সাথে গোপন বৈঠকের এই ঘটনা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন, আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এই ঘটনা নির্বাচনের নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের সতর্ক অবস্থানের প্রমাণ দিচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পাবনার চাটমোহরে মধ্যরাতে জামায়াত নেতাদের সাথে গোপন বৈঠক করার অভিযোগে পাবনা-৩ (চাটমোহর, ভাঙ্গুরা, ফরিদপুর) আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসারসহ দুইজন সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। গোপন বৈঠকের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
প্রত্যাহারকৃত মো. সুজন মাহমুদ (রাকাব হান্ডিয়াল শাখার কর্মকর্তা) চাটমোহর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের চড়ইকোল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার ছিলেন। তবে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহারকৃত দুইজন সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের নাম জানা যায়নি।
জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর নেতা আওয়ালসহ কয়েকজন গত বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে প্রিসাইডিং অফিসার সুজন মাহমুদের সাথে গোপন বৈঠক করেন। এই সময় নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী অন্য প্রার্থীদের কর্মী ও সমর্থকদের মাঝে বিষয়টি জানাজানি হয়।
ঘটনাটি সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের চৌধুরীকে অবগত করা হলে তিনি পাবনা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার শাহেদ মোস্তফার নির্দেশে প্রিসাইডিং অফিসার সুজন মাহমুদসহ দুইজন সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারকে প্রত্যাহার করেন।
জামায়াত নেতাদের মধ্যরাতে প্রিসাইডিং অফিসারের সাথে গোপন বৈঠকের এই ঘটনা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন, আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এই ঘটনা নির্বাচনের নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের সতর্ক অবস্থানের প্রমাণ দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন