বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে গণমাধ্যমের কাছে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন রুমিন ফারহানা।
প্রথম কারণ হিসেবে তিনি নির্বাচনের ফল নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা না থাকার বিষয়টি সামনে আনেন। তার ভাষ্য, ভোটের ফল কী হবে, সেটি যদি আগে থেকেই সবার জানা থাকে, তাহলে সেই প্রক্রিয়াকে প্রকৃত অর্থে নির্বাচন বলা কঠিন। তার মতে, এমন পরিস্থিতিতে এটি নির্বাচনের চেয়ে মনোনয়নের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দ্বিতীয় কারণ হিসেবে জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান এবং এর সঙ্গে মানুষের আত্মত্যাগ ও প্রত্যাশার প্রসঙ্গ তোলেন রুমিন। তার প্রশ্ন, এত বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সব পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তিকে কেন রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত করা গেল না।
তৃতীয় কারণটিকে নিজের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন এই স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে বিএনপির অবস্থানের সমালোচনা করেন তিনি। রুমিনের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে দলটি এ অনুচ্ছেদ নিয়ে সংস্কারের কথা বললেও এখন দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিলে সংসদ সদস্যপদ হারানোর বিষয়টি সামনে আনা হয়েছে। এই অবস্থানকে পরস্পরবিরোধী বলে মনে করেন তিনি।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য দল থেকে পদত্যাগ করলে বা সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দিলে তার আসন শূন্য হওয়ার বিধান রয়েছে।
এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ৩৪৯ জন সংসদ সদস্যের ভোট দেওয়ার সুযোগ ছিল। এর মধ্যে ৩৪৩ জন ভোট দিয়েছেন এবং ছয়জন ভোটদানে বিরত ছিলেন। ভোট না দেওয়া সংসদ সদস্যদের একজন রুমিন ফারহানা।
নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে গণমাধ্যমের কাছে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন রুমিন ফারহানা।
প্রথম কারণ হিসেবে তিনি নির্বাচনের ফল নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা না থাকার বিষয়টি সামনে আনেন। তার ভাষ্য, ভোটের ফল কী হবে, সেটি যদি আগে থেকেই সবার জানা থাকে, তাহলে সেই প্রক্রিয়াকে প্রকৃত অর্থে নির্বাচন বলা কঠিন। তার মতে, এমন পরিস্থিতিতে এটি নির্বাচনের চেয়ে মনোনয়নের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দ্বিতীয় কারণ হিসেবে জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান এবং এর সঙ্গে মানুষের আত্মত্যাগ ও প্রত্যাশার প্রসঙ্গ তোলেন রুমিন। তার প্রশ্ন, এত বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সব পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তিকে কেন রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত করা গেল না।
তৃতীয় কারণটিকে নিজের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন এই স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে বিএনপির অবস্থানের সমালোচনা করেন তিনি। রুমিনের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে দলটি এ অনুচ্ছেদ নিয়ে সংস্কারের কথা বললেও এখন দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিলে সংসদ সদস্যপদ হারানোর বিষয়টি সামনে আনা হয়েছে। এই অবস্থানকে পরস্পরবিরোধী বলে মনে করেন তিনি।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য দল থেকে পদত্যাগ করলে বা সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দিলে তার আসন শূন্য হওয়ার বিধান রয়েছে।
এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ৩৪৯ জন সংসদ সদস্যের ভোট দেওয়ার সুযোগ ছিল। এর মধ্যে ৩৪৩ জন ভোট দিয়েছেন এবং ছয়জন ভোটদানে বিরত ছিলেন। ভোট না দেওয়া সংসদ সদস্যদের একজন রুমিন ফারহানা।
নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।

আপনার মতামত লিখুন