আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ জেলার ৬টি আসনের মোট ৯১৩টি ভোটকেন্দ্রের প্রায় ৭৫ শতাংশকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৩৮টি কেন্দ্রকে অতি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৩৭৪টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, পূর্বের সহিংসতার অভিজ্ঞতা এবং ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে অধিকাংশ কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। বিশেষ করে কয়েকটি উপজেলায় বাড়তি নজরদারি রাখা হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে কেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
জেলার ৬টি আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২৭ লাখ ২৭ হাজার। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৩ লাখ ৯৪ হাজার ১৮৫ জন, নারী ভোটার ১৩ লাখ ৩২ হাজার ৭৮৭ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২৮ জন। পোস্টাল ব্যালটে নিবন্ধিত ভোটার রয়েছেন ২৮ হাজার ৫৩৭ জন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন সে জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে পুলিশের বডি-ওর্ন ক্যামেরা থাকবে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ১ হাজার ৫৭৩ জন সেনাসদস্য, বিজিবির ২০ প্লাটুন (প্রতি প্লাটুনে ৩০ জন), র্যাবের ১৩০ সদস্য মোতায়েন থাকবে। দায়িত্ব পালন করবেন জুডিশিয়াল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ। এছাড়া পর্যাপ্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে।
পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন বলেন, “যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।”
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা বলেন, “কিশোরগঞ্জের ৬টি আসনে ৫ স্তরের নিরাপত্তা বলয় গঠন করা হয়েছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।”

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ জেলার ৬টি আসনের মোট ৯১৩টি ভোটকেন্দ্রের প্রায় ৭৫ শতাংশকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৩৮টি কেন্দ্রকে অতি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৩৭৪টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, পূর্বের সহিংসতার অভিজ্ঞতা এবং ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে অধিকাংশ কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। বিশেষ করে কয়েকটি উপজেলায় বাড়তি নজরদারি রাখা হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে কেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
জেলার ৬টি আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২৭ লাখ ২৭ হাজার। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৩ লাখ ৯৪ হাজার ১৮৫ জন, নারী ভোটার ১৩ লাখ ৩২ হাজার ৭৮৭ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২৮ জন। পোস্টাল ব্যালটে নিবন্ধিত ভোটার রয়েছেন ২৮ হাজার ৫৩৭ জন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন সে জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে পুলিশের বডি-ওর্ন ক্যামেরা থাকবে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ১ হাজার ৫৭৩ জন সেনাসদস্য, বিজিবির ২০ প্লাটুন (প্রতি প্লাটুনে ৩০ জন), র্যাবের ১৩০ সদস্য মোতায়েন থাকবে। দায়িত্ব পালন করবেন জুডিশিয়াল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ। এছাড়া পর্যাপ্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে।
পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন বলেন, “যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।”
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা বলেন, “কিশোরগঞ্জের ৬টি আসনে ৫ স্তরের নিরাপত্তা বলয় গঠন করা হয়েছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন