পাহাড়ি অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও টেকসই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার লক্ষ্যে আলীকদম সেনা জোনের উদ্যোগে বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার কুরুকপাতা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী দুর্গম মাংগ্রুম পাড়ায় শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। আলীকদম জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আশিকুর রহমান আশিক, এসপিপি, পিএসসি-এর দিকনির্দেশনায় এবং বলাইপাড়া আর্মি ক্যাম্পের তত্ত্বাবধানে ছয়টি পাড়ার মোট ১০০টি অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।
শনিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এ মানবিক কার্যক্রম শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। দুর্গম পাহাড়ি জনপদের স্থানীয় জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এতে অংশগ্রহণ করে এবং শীতবস্ত্র পেয়ে সেনাবাহিনীর এই মানবিক উদ্যোগকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্বাগত জানায়।
অনুষ্ঠানে আলীকদম জোন কমান্ডারের পক্ষ থেকে এলাকার সার্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে সীমান্তবর্তী এই দুর্গম এলাকায় যেকোনো দুষ্কৃতকারী ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সেনাবাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা বজায় রাখার জন্য স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পাহাড়ি অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও টেকসই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার লক্ষ্যে আলীকদম সেনা জোনের উদ্যোগে বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার কুরুকপাতা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী দুর্গম মাংগ্রুম পাড়ায় শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। আলীকদম জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আশিকুর রহমান আশিক, এসপিপি, পিএসসি-এর দিকনির্দেশনায় এবং বলাইপাড়া আর্মি ক্যাম্পের তত্ত্বাবধানে ছয়টি পাড়ার মোট ১০০টি অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।
শনিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এ মানবিক কার্যক্রম শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। দুর্গম পাহাড়ি জনপদের স্থানীয় জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এতে অংশগ্রহণ করে এবং শীতবস্ত্র পেয়ে সেনাবাহিনীর এই মানবিক উদ্যোগকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্বাগত জানায়।
অনুষ্ঠানে আলীকদম জোন কমান্ডারের পক্ষ থেকে এলাকার সার্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে সীমান্তবর্তী এই দুর্গম এলাকায় যেকোনো দুষ্কৃতকারী ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সেনাবাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা বজায় রাখার জন্য স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন