ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১৪ আসনের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে নির্বাচনি আবেদন (ইলেকশন পিটিশন) দায়ের করেছেন বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদা। আজ সোমবার (৯ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চে এই আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এই আসনে জয়ী হয়েছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, ডা. তাহের ১ লাখ ৩৩ হাজার ৩০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। অন্যদিকে, কামরুল হুদা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৭৬ হাজার ৬৩৮ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছিলেন।
কামরুল হুদার আইনজীবী জানান, নির্বাচনি অনিয়মের অভিযোগ তুলে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী এই আবেদন করা হয়েছে। আবেদনে ওই আসনের ভোট পুনর্গণনা অথবা ফলাফল বাতিলের দাবি জানানো হতে পারে। ইতিমধ্যে ২০ জনেরও বেশি প্রার্থী বিভিন্ন আসনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন এবং আদালত ওই সব আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় নির্বাচনি সরঞ্জাম সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন।
হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চটি বর্তমানে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল হিসেবে এসব আবেদনের শুনানি গ্রহণ করছে। কামরুল হুদার এই আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত আজ কী আদেশ দেন, সেদিকেই তাকিয়ে আছেন স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটাররা।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১৪ আসনের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে নির্বাচনি আবেদন (ইলেকশন পিটিশন) দায়ের করেছেন বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদা। আজ সোমবার (৯ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চে এই আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এই আসনে জয়ী হয়েছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, ডা. তাহের ১ লাখ ৩৩ হাজার ৩০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। অন্যদিকে, কামরুল হুদা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৭৬ হাজার ৬৩৮ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছিলেন।
কামরুল হুদার আইনজীবী জানান, নির্বাচনি অনিয়মের অভিযোগ তুলে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী এই আবেদন করা হয়েছে। আবেদনে ওই আসনের ভোট পুনর্গণনা অথবা ফলাফল বাতিলের দাবি জানানো হতে পারে। ইতিমধ্যে ২০ জনেরও বেশি প্রার্থী বিভিন্ন আসনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন এবং আদালত ওই সব আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় নির্বাচনি সরঞ্জাম সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন।
হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চটি বর্তমানে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল হিসেবে এসব আবেদনের শুনানি গ্রহণ করছে। কামরুল হুদার এই আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত আজ কী আদেশ দেন, সেদিকেই তাকিয়ে আছেন স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটাররা।

আপনার মতামত লিখুন