কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে একটি সংঘবদ্ধ মাদক কারবারি চক্রের আস্তানায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১১ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের দুই লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
রোববার নৌবাহিনীর টেকনাফ কন্টিনজেন্ট হ্নীলা ইউনিয়নের রঙীখালী এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করে। সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে নৌবাহিনীর এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
নৌবাহিনী জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে একটি সংঘবদ্ধ চক্র বিক্রি ও পাচারের উদ্দেশ্যে ওই এলাকায় বিপুল পরিমাণ মাদক মজুত করে রেখেছে। সেই তথ্যের সূত্র ধরে একটি বিশেষ আভিযানিক দল রঙীখালীতে অভিযানে নামে।
অভিযানে মাদক কারবারিদের আস্তানা থেকে দুটি সাদা রঙের বস্তা উদ্ধার করা হয়। তল্লাশিতে বস্তাগুলোর ভেতরে পাওয়া যায় দুই লাখ ৩০ হাজার পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১১ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
উদ্ধার করা ইয়াবা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
নৌবাহিনী জানিয়েছে, দেশের উপকূলীয় অঞ্চলকে মাদকমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান ও টহল কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। কক্সবাজারের টেকনাফ মিয়ানমার সীমান্তবর্তী হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই এই উপজেলাটি মাদক চোরাচালানের প্রধান রুট হিসেবে চিহ্নিত। এই বাস্তবতায় নৌবাহিনীর নিয়মিত অভিযান এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে, সেই প্রশ্ন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচিত হচ্ছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে একটি সংঘবদ্ধ মাদক কারবারি চক্রের আস্তানায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১১ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের দুই লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
রোববার নৌবাহিনীর টেকনাফ কন্টিনজেন্ট হ্নীলা ইউনিয়নের রঙীখালী এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করে। সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে নৌবাহিনীর এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
নৌবাহিনী জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে একটি সংঘবদ্ধ চক্র বিক্রি ও পাচারের উদ্দেশ্যে ওই এলাকায় বিপুল পরিমাণ মাদক মজুত করে রেখেছে। সেই তথ্যের সূত্র ধরে একটি বিশেষ আভিযানিক দল রঙীখালীতে অভিযানে নামে।
অভিযানে মাদক কারবারিদের আস্তানা থেকে দুটি সাদা রঙের বস্তা উদ্ধার করা হয়। তল্লাশিতে বস্তাগুলোর ভেতরে পাওয়া যায় দুই লাখ ৩০ হাজার পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১১ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
উদ্ধার করা ইয়াবা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
নৌবাহিনী জানিয়েছে, দেশের উপকূলীয় অঞ্চলকে মাদকমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান ও টহল কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। কক্সবাজারের টেকনাফ মিয়ানমার সীমান্তবর্তী হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই এই উপজেলাটি মাদক চোরাচালানের প্রধান রুট হিসেবে চিহ্নিত। এই বাস্তবতায় নৌবাহিনীর নিয়মিত অভিযান এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে, সেই প্রশ্ন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন