সিলেট জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও জকিগঞ্জ থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১টা ৫ মিনিটের দিকে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের শাহপরান (র.) থানাধীন পীরের বাজার এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে জকিগঞ্জ থানার একটি ডাকাতি মামলার তদন্তে প্রাপ্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ১। জিহাদ উদ্দিন ওরফে জাহেদ আহমদ (৩২), পিতা-মৃত আজমুল আলী, গ্রাম-ঘেচুয়া, সুলতানপুর ইউনিয়ন, জকিগঞ্জ থানা, সিলেট। ২। আব্দুর রহিম ওরফে তিতন (৪০), পিতা-আব্দুল মতিন ওরফে আব্দুল করিম, গ্রাম-গোটাটিকর, মোগলাবাজার থানা, সিলেট।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত জিহাদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিলেট জেলা ও মহানগর পুলিশের বিভিন্ন থানায় চুরি, ডাকাতি ও ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে মোট ১৬টি মামলা রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আদালতের ৩টি গ্রেফতারি পরোয়ানাও ছিল।
অন্যদিকে আব্দুর রহিম ওরফে তিতনের বিরুদ্ধেও সিলেটের বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, ডাকাতির প্রস্তুতি ও চুরির অভিযোগে ৭টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে এবং এ ধরনের অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত দুই আসামিকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
সিলেট জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও জকিগঞ্জ থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১টা ৫ মিনিটের দিকে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের শাহপরান (র.) থানাধীন পীরের বাজার এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে জকিগঞ্জ থানার একটি ডাকাতি মামলার তদন্তে প্রাপ্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ১। জিহাদ উদ্দিন ওরফে জাহেদ আহমদ (৩২), পিতা-মৃত আজমুল আলী, গ্রাম-ঘেচুয়া, সুলতানপুর ইউনিয়ন, জকিগঞ্জ থানা, সিলেট। ২। আব্দুর রহিম ওরফে তিতন (৪০), পিতা-আব্দুল মতিন ওরফে আব্দুল করিম, গ্রাম-গোটাটিকর, মোগলাবাজার থানা, সিলেট।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত জিহাদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিলেট জেলা ও মহানগর পুলিশের বিভিন্ন থানায় চুরি, ডাকাতি ও ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে মোট ১৬টি মামলা রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আদালতের ৩টি গ্রেফতারি পরোয়ানাও ছিল।
অন্যদিকে আব্দুর রহিম ওরফে তিতনের বিরুদ্ধেও সিলেটের বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, ডাকাতির প্রস্তুতি ও চুরির অভিযোগে ৭টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে এবং এ ধরনের অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত দুই আসামিকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন