ঢাকা    বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ অভিযান, পুলিশের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০২৬

জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ অভিযান, পুলিশের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার দুর্গম জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সোমবার (৯ মার্চ) ভোর থেকে বিশাল যৌথ অভিযান চালিয়ে পূর্ণ প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ওই এলাকায় র‍্যাব ও পুলিশের দুটি স্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

সোমবার দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আহসান হাবীব পলাশ জানান, এই অভিযানে র‍্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও এপিবিএনের মোট প্রায় ৩ হাজার ২০০ সদস্য অংশ নিয়েছেন। বিশাল এই এলাকায় প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাই ছিল অভিযানের মূল উদ্দেশ্য এবং তা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তবে অভিযানের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য পূরণ হয়নি। জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগর এলাকায় সক্রিয় 'ইয়াসিন বাহিনী'র প্রধান মো. ইয়াসিন অভিযানের আগেই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন। ডিআইজি নিশ্চিত করেছেন, তাকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি।

অভিযানে কিছু অস্ত্র উদ্ধার এবং প্রায় ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। তবে এলাকার বড় একটি অংশে মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় সুনির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহে এখনো সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে ডিআইজি উল্লেখ করেন।

চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ডা. জিয়াউদ্দীন জানিয়েছেন, এলাকায় প্রশাসনিক কর্তৃত্ব এখন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সরকারের আগে থেকেই এই অঞ্চল ঘিরে উন্নয়ন পরিকল্পনা ছিল এবং এখন সেগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ শুরু হবে বলে তিনি জানান।

স্থায়ী ক্যাম্পগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাহাড়ি এই দুর্গম এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী ভারী অস্ত্র মোতায়েন করা হবে বলেও জানিয়েছেন ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশ। ইয়াসিনকে গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত অভিযান কার্যত অসম্পূর্ণ থেকে যাচ্ছে কিনা, সেই প্রশ্নটি এখন আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬


জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ অভিযান, পুলিশের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি

প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার দুর্গম জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সোমবার (৯ মার্চ) ভোর থেকে বিশাল যৌথ অভিযান চালিয়ে পূর্ণ প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ওই এলাকায় র‍্যাব ও পুলিশের দুটি স্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

সোমবার দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আহসান হাবীব পলাশ জানান, এই অভিযানে র‍্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও এপিবিএনের মোট প্রায় ৩ হাজার ২০০ সদস্য অংশ নিয়েছেন। বিশাল এই এলাকায় প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাই ছিল অভিযানের মূল উদ্দেশ্য এবং তা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তবে অভিযানের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য পূরণ হয়নি। জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগর এলাকায় সক্রিয় 'ইয়াসিন বাহিনী'র প্রধান মো. ইয়াসিন অভিযানের আগেই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন। ডিআইজি নিশ্চিত করেছেন, তাকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি।

অভিযানে কিছু অস্ত্র উদ্ধার এবং প্রায় ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। তবে এলাকার বড় একটি অংশে মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় সুনির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহে এখনো সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে ডিআইজি উল্লেখ করেন।

চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ডা. জিয়াউদ্দীন জানিয়েছেন, এলাকায় প্রশাসনিক কর্তৃত্ব এখন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সরকারের আগে থেকেই এই অঞ্চল ঘিরে উন্নয়ন পরিকল্পনা ছিল এবং এখন সেগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ শুরু হবে বলে তিনি জানান।

স্থায়ী ক্যাম্পগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাহাড়ি এই দুর্গম এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী ভারী অস্ত্র মোতায়েন করা হবে বলেও জানিয়েছেন ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশ। ইয়াসিনকে গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত অভিযান কার্যত অসম্পূর্ণ থেকে যাচ্ছে কিনা, সেই প্রশ্নটি এখন আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০২৪১০৯১৭৩০
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: 01711-070054

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ