বাঙ্গালা ইউনিয়নের ধরাইল স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনি সমাবেশে আগামী দিনের বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন- সে প্রশ্নে ভোটারদের বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন উল্লাপাড়া সংসদীয় আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় দুটি দলের শীর্ষ নেতার নাম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে এবং এই দুই ব্যক্তির যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক চরিত্র বিচার করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব জনগণের।
সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে রফিকুল ইসলাম খান বলেন, সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর একজন হলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান, যিনি বিসিএস ক্যাডারভুক্ত একজন সাবেক সরকারি কর্মকর্তা। রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে কাজ করার অভিজ্ঞতা ও শৃঙ্খলাবোধের বিষয়টি তার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক বলে মন্তব্য করেন তিনি। অপরদিকে সম্ভাব্য আরেকজন হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমান, যার শিক্ষাগত যোগ্যতা আইএ পাস এবং যার দল অতীতে একাধিকবার রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল।
রফিকুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে তাদের শাসনামলের ভালো-মন্দ দিক জনগণের অজানা নয়। সেই সময় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা মানুষের সামনে স্পষ্ট। তাই আজ আবার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব কাদের হাতে দেওয়া হবে- সে বিষয়ে আবেগ নয়, বাস্তবতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।
সংসদ নির্বাচনের প্রচারের একেবারে শেষ মুহূর্তে, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে তিনি আরও বলেন, বিএনপি দলে বর্তমানে হাজারের মতো বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে, যা দলটির অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলার দুর্বলতাই তুলে ধরে। পাশাপাশি জুলাই বিপ্লবের পর দলটির ভেতরে যে পরিমাণ সংঘাত, সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা গভীর উদ্বেগের বিষয়।
তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, যারা নিজেদের দলকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যর্থ, তারা কীভাবে একটি দেশকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করবে? কীভাবে তারা জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করেই ভোটারদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে রফিকুল ইসলাম খান বলেন, এই নির্বাচন শুধু ক্ষমতার লড়াই নয়, এটি দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার নির্বাচন। তাই দলীয় পরিচয়ের বাইরে গিয়ে যোগ্যতা, সততা ও নেতৃত্বের সক্ষমতা বিবেচনা করে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাঙ্গালা ইউনিয়নের ধরাইল স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনি সমাবেশে আগামী দিনের বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন- সে প্রশ্নে ভোটারদের বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন উল্লাপাড়া সংসদীয় আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় দুটি দলের শীর্ষ নেতার নাম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে এবং এই দুই ব্যক্তির যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক চরিত্র বিচার করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব জনগণের।
সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে রফিকুল ইসলাম খান বলেন, সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর একজন হলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান, যিনি বিসিএস ক্যাডারভুক্ত একজন সাবেক সরকারি কর্মকর্তা। রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে কাজ করার অভিজ্ঞতা ও শৃঙ্খলাবোধের বিষয়টি তার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক বলে মন্তব্য করেন তিনি। অপরদিকে সম্ভাব্য আরেকজন হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমান, যার শিক্ষাগত যোগ্যতা আইএ পাস এবং যার দল অতীতে একাধিকবার রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল।
রফিকুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে তাদের শাসনামলের ভালো-মন্দ দিক জনগণের অজানা নয়। সেই সময় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা মানুষের সামনে স্পষ্ট। তাই আজ আবার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব কাদের হাতে দেওয়া হবে- সে বিষয়ে আবেগ নয়, বাস্তবতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।
সংসদ নির্বাচনের প্রচারের একেবারে শেষ মুহূর্তে, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে তিনি আরও বলেন, বিএনপি দলে বর্তমানে হাজারের মতো বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে, যা দলটির অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলার দুর্বলতাই তুলে ধরে। পাশাপাশি জুলাই বিপ্লবের পর দলটির ভেতরে যে পরিমাণ সংঘাত, সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা গভীর উদ্বেগের বিষয়।
তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, যারা নিজেদের দলকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যর্থ, তারা কীভাবে একটি দেশকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করবে? কীভাবে তারা জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করেই ভোটারদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে রফিকুল ইসলাম খান বলেন, এই নির্বাচন শুধু ক্ষমতার লড়াই নয়, এটি দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার নির্বাচন। তাই দলীয় পরিচয়ের বাইরে গিয়ে যোগ্যতা, সততা ও নেতৃত্বের সক্ষমতা বিবেচনা করে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন