আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। জাতীয় পার্টির প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ নিরাপত্তার অভাব এবং অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ না থাকার অভিযোগ তুলে এই নির্বাচন বর্জনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার শিবগঞ্জবাসীর উদ্দেশ্যে দেওয়া এক খোলা চিঠিতে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান, যা তাঁর ছেলে ব্যারিস্টার তাজবির শরীফ সাম্মু গণমাধ্যমের কাছে সরবরাহ করেছেন।
শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ তাঁর চিঠিতে অভিযোগ করেন যে, বর্তমানে তাঁর নির্বাচনী এলাকায় ভীতিপ্রদ পরিবেশ বিরাজ করছে। তাঁর ও তাঁর সমর্থকদের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে এবং অনেক নেতাকর্মীকে এলাকাছাড়া করা হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, নির্বাচনের মাঠে গেলে ‘মব’ সৃষ্টি করে তাঁর ওপর হামলা করার সুনির্দিষ্ট আশঙ্কা রয়েছে। সাধারণ ভোটার ও রাজনৈতিক কর্মীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করায় এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা সম্ভব নয় বলে তিনি মনে করেন। তাঁর মতে, রাজনীতি হওয়া উচিত উন্নয়নের প্রতিযোগিতা, প্রতিহিংসার নয়।
উল্লেখ্য, বগুড়া-২ আসনে শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন। তবে এবারের নির্বাচনে এই আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না এবং বিএনপির একাধিক প্রার্থীসহ অন্যান্য শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীরাও রয়েছেন। আসনটির সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান জানিয়েছেন, তিনি জিন্নাহর নির্বাচন বর্জনের খবর শুনেছেন, তবে এখনো লিখিত কোনো অভিযোগ পাননি। শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ স্পষ্ট করেছেন যে, নির্বাচন বর্জন করা মানে রাজনীতি থেকে সরে যাওয়া নয়, বরং এটি বর্তমান পরিস্থিতির বিরুদ্ধে তাঁর একটি নীরব প্রতিবাদ।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। জাতীয় পার্টির প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ নিরাপত্তার অভাব এবং অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ না থাকার অভিযোগ তুলে এই নির্বাচন বর্জনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার শিবগঞ্জবাসীর উদ্দেশ্যে দেওয়া এক খোলা চিঠিতে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান, যা তাঁর ছেলে ব্যারিস্টার তাজবির শরীফ সাম্মু গণমাধ্যমের কাছে সরবরাহ করেছেন।
শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ তাঁর চিঠিতে অভিযোগ করেন যে, বর্তমানে তাঁর নির্বাচনী এলাকায় ভীতিপ্রদ পরিবেশ বিরাজ করছে। তাঁর ও তাঁর সমর্থকদের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে এবং অনেক নেতাকর্মীকে এলাকাছাড়া করা হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, নির্বাচনের মাঠে গেলে ‘মব’ সৃষ্টি করে তাঁর ওপর হামলা করার সুনির্দিষ্ট আশঙ্কা রয়েছে। সাধারণ ভোটার ও রাজনৈতিক কর্মীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করায় এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা সম্ভব নয় বলে তিনি মনে করেন। তাঁর মতে, রাজনীতি হওয়া উচিত উন্নয়নের প্রতিযোগিতা, প্রতিহিংসার নয়।
উল্লেখ্য, বগুড়া-২ আসনে শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন। তবে এবারের নির্বাচনে এই আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না এবং বিএনপির একাধিক প্রার্থীসহ অন্যান্য শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীরাও রয়েছেন। আসনটির সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান জানিয়েছেন, তিনি জিন্নাহর নির্বাচন বর্জনের খবর শুনেছেন, তবে এখনো লিখিত কোনো অভিযোগ পাননি। শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ স্পষ্ট করেছেন যে, নির্বাচন বর্জন করা মানে রাজনীতি থেকে সরে যাওয়া নয়, বরং এটি বর্তমান পরিস্থিতির বিরুদ্ধে তাঁর একটি নীরব প্রতিবাদ।

আপনার মতামত লিখুন