গতকাল বৃহস্পতিবার উল্লাপাড়া উপজেলার পূর্ণিমাগাঁতি ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন উল্লাপাড়া সংসদীয় আসনের দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খান।
ঘটনার সূত্রপাত হয় গত শনিবার বিকেলে। ড. শফিকুর রহমানের ভেরিফায়েড এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল থেকে ইংরেজিতে একটি পোস্ট দেওয়া হয়, যেখানে নারীদের কর্মজীবন ও আধুনিক জীবনধারা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়। পোস্টটি অল্প সময়ের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে এবং দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন ও সাধারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা অভিযোগ করেন, উক্ত পোস্টে কর্মজীবী নারীদের চরমভাবে অবমাননা করা হয়েছে। তবে ঘটনার পরপরই জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ড. শফিকুর রহমানের অ্যাকাউন্টটি হ্যাক করা হয়েছে এবং বিতর্কিত পোস্টটি তাঁর পক্ষ থেকে দেওয়া নয়।
এদিকে ঘটনার তদন্তে নেমে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) মঙ্গলবার রাত সাড়ে বারোটার দিকে সরোয়ার আলম নামের এক ব্যক্তিকে তার সরকারি বাসভবন থেকে আটক করে। প্রাথমিক তদন্তে গোয়েন্দারা জানান, অত্যন্ত উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই হ্যাকিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে এবং ব্যবহৃত ম্যালওয়্যারটির উৎস ভারতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
গোয়েন্দা সূত্রের মতে, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে সংঘাত ও বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের সাইবার অপতৎপরতা চালানো হচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে উল্লাপাড়া সংসদীয় আসনের দাড়িপাল্লা প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খান ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন—
এ ধরনের নোংরা সাইবার ষড়যন্ত্র শুধু একটি ব্যক্তি বা দলকে নয়, বরং পুরো নির্বাচনী পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তিনি অবিলম্বে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গতকাল বৃহস্পতিবার উল্লাপাড়া উপজেলার পূর্ণিমাগাঁতি ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন উল্লাপাড়া সংসদীয় আসনের দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খান।
ঘটনার সূত্রপাত হয় গত শনিবার বিকেলে। ড. শফিকুর রহমানের ভেরিফায়েড এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল থেকে ইংরেজিতে একটি পোস্ট দেওয়া হয়, যেখানে নারীদের কর্মজীবন ও আধুনিক জীবনধারা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়। পোস্টটি অল্প সময়ের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে এবং দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন ও সাধারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা অভিযোগ করেন, উক্ত পোস্টে কর্মজীবী নারীদের চরমভাবে অবমাননা করা হয়েছে। তবে ঘটনার পরপরই জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ড. শফিকুর রহমানের অ্যাকাউন্টটি হ্যাক করা হয়েছে এবং বিতর্কিত পোস্টটি তাঁর পক্ষ থেকে দেওয়া নয়।
এদিকে ঘটনার তদন্তে নেমে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) মঙ্গলবার রাত সাড়ে বারোটার দিকে সরোয়ার আলম নামের এক ব্যক্তিকে তার সরকারি বাসভবন থেকে আটক করে। প্রাথমিক তদন্তে গোয়েন্দারা জানান, অত্যন্ত উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই হ্যাকিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে এবং ব্যবহৃত ম্যালওয়্যারটির উৎস ভারতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
গোয়েন্দা সূত্রের মতে, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে সংঘাত ও বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের সাইবার অপতৎপরতা চালানো হচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে উল্লাপাড়া সংসদীয় আসনের দাড়িপাল্লা প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খান ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন—
এ ধরনের নোংরা সাইবার ষড়যন্ত্র শুধু একটি ব্যক্তি বা দলকে নয়, বরং পুরো নির্বাচনী পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তিনি অবিলম্বে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন