ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করীম বলেছেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে মাস্তানি ও সন্ত্রাসের দিন শেষ হয়ে আসছে। এখন থেকে রাজনীতি হবে মানুষের সেবার জন্য, ভয় দেখানোর জন্য নয়। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মুফতি রেজাউল করীম তাঁর বক্তব্যে দেশের প্রচলিত প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর কঠোর সমালোচনা করে বলেন, “যাদের ইতিহাস আমাদের সামনে আছে, তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি অত্যন্ত নিচু মানের। আমরা দেখেছি বিএনপি ক্ষমতায় আসলে আওয়ামী লীগ পালায়, আবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে বিএনপি পালায়। কিন্তু ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এ দেশের মাটি ও মানুষের দল, আমরা কোথাও পালাবো না।”
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যারা ইসলামের আইন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করতে চায় না—তারা আলেম হোক বা তথাকথিত ইসলামিক দল হোক—ইসলামীপন্থীরা তাদের ভোট দিতে পারে না। তিনি শিবচরবাসীকে হাতপাখা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশকে নতুনভাবে বিনির্মাণ করার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা কাজে লাগাতে হবে। ইনসাফ ও সাম্যের মাধ্যমেই মানুষের প্রকৃত মুক্তি আসবে এবং শোষণের হাত থেকে সাধারণ জনগণ রেহাই পাবে।”
চরমোনাই পীর আরও বলেন, “হাজি শরীয়াতুল্লাহর এই পুণ্যভূমিতে মানুষ আর কোনো ‘জমিদারি রাজনীতি’ দেখতে চায় না। বংশ পরম্পরায় শাসন করার দিন শেষ। সাধারণ মানুষ এখন পরিবর্তন চায় এবং তারা মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের রাজনীতিকে গ্রহণ করছে।” ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ক্ষমতায় গেলে শরিয়াহভিত্তিক ন্যায়বিচার ও সৎ নেতৃত্বের মাধ্যমে একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।
সমাবেশে মাদারীপুর-১ আসনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থীসহ দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা ভোটারদের ভয়ভীতি উপেক্ষা করে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করীম বলেছেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে মাস্তানি ও সন্ত্রাসের দিন শেষ হয়ে আসছে। এখন থেকে রাজনীতি হবে মানুষের সেবার জন্য, ভয় দেখানোর জন্য নয়। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মুফতি রেজাউল করীম তাঁর বক্তব্যে দেশের প্রচলিত প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর কঠোর সমালোচনা করে বলেন, “যাদের ইতিহাস আমাদের সামনে আছে, তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি অত্যন্ত নিচু মানের। আমরা দেখেছি বিএনপি ক্ষমতায় আসলে আওয়ামী লীগ পালায়, আবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে বিএনপি পালায়। কিন্তু ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এ দেশের মাটি ও মানুষের দল, আমরা কোথাও পালাবো না।”
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যারা ইসলামের আইন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করতে চায় না—তারা আলেম হোক বা তথাকথিত ইসলামিক দল হোক—ইসলামীপন্থীরা তাদের ভোট দিতে পারে না। তিনি শিবচরবাসীকে হাতপাখা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশকে নতুনভাবে বিনির্মাণ করার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা কাজে লাগাতে হবে। ইনসাফ ও সাম্যের মাধ্যমেই মানুষের প্রকৃত মুক্তি আসবে এবং শোষণের হাত থেকে সাধারণ জনগণ রেহাই পাবে।”
চরমোনাই পীর আরও বলেন, “হাজি শরীয়াতুল্লাহর এই পুণ্যভূমিতে মানুষ আর কোনো ‘জমিদারি রাজনীতি’ দেখতে চায় না। বংশ পরম্পরায় শাসন করার দিন শেষ। সাধারণ মানুষ এখন পরিবর্তন চায় এবং তারা মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের রাজনীতিকে গ্রহণ করছে।” ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ক্ষমতায় গেলে শরিয়াহভিত্তিক ন্যায়বিচার ও সৎ নেতৃত্বের মাধ্যমে একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।
সমাবেশে মাদারীপুর-১ আসনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থীসহ দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা ভোটারদের ভয়ভীতি উপেক্ষা করে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন