বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম সরকার গঠন করতে পারলে সবার আগে আইন-শৃঙ্খলা, সামাজিক শান্তি ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দলটির দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটায় উল্লাপাড়া উপজেলার কয়রা ইউনিয়ন বাজারে এক জনসভায় তিনি বলেন, দেশে শিক্ষিত-অশিক্ষিত প্রায় তিন কোটি বেকার যুবকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। এ লক্ষ্যে যুবকদের কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে এবং সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ কলকারখানা চালু করার পাশাপাশি নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে।
স্বাস্থ্য খাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসা না পেয়ে মানুষকে বেসরকারি হাসপাতালে ব্যয়বহুল চিকিৎসা নিতে হয়, ফলে আয়ের বড় অংশ চিকিৎসায় খরচ হয়ে যায়। তাই জামায়াতে ইসলাম স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন ও সরকারি চিকিৎসা সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বিশেষ গুরুত্ব দেবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম এখন কেবল একটি ধর্মভিত্তিক দল নয়; এটি হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান-পাহাড়ি সকল জনগোষ্ঠীর কাছে আস্থা ও নিরাপত্তার প্রতীক। নির্বাচনে বিজয়ী হলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে সরকার গঠন ও দেশ পরিচালনার অঙ্গীকার করেন তিনি।
এসময় ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধু ভোট দিয়েই দায়িত্ব শেষ নয়—সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থেকে সবার উন্মুক্ত ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক শাজাহান আলী, খাইরুল ইসলাম, আলাউদ্দিন আল আজাদ, এনসিপির মাসুম আহমেদ এবং জাসদে সদ্য যোগ দেওয়া সাবেক কাউন্সিলর শাহাদাত হোসেন খোকন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম সরকার গঠন করতে পারলে সবার আগে আইন-শৃঙ্খলা, সামাজিক শান্তি ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দলটির দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটায় উল্লাপাড়া উপজেলার কয়রা ইউনিয়ন বাজারে এক জনসভায় তিনি বলেন, দেশে শিক্ষিত-অশিক্ষিত প্রায় তিন কোটি বেকার যুবকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। এ লক্ষ্যে যুবকদের কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে এবং সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ কলকারখানা চালু করার পাশাপাশি নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে।
স্বাস্থ্য খাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসা না পেয়ে মানুষকে বেসরকারি হাসপাতালে ব্যয়বহুল চিকিৎসা নিতে হয়, ফলে আয়ের বড় অংশ চিকিৎসায় খরচ হয়ে যায়। তাই জামায়াতে ইসলাম স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন ও সরকারি চিকিৎসা সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বিশেষ গুরুত্ব দেবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম এখন কেবল একটি ধর্মভিত্তিক দল নয়; এটি হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান-পাহাড়ি সকল জনগোষ্ঠীর কাছে আস্থা ও নিরাপত্তার প্রতীক। নির্বাচনে বিজয়ী হলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে সরকার গঠন ও দেশ পরিচালনার অঙ্গীকার করেন তিনি।
এসময় ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধু ভোট দিয়েই দায়িত্ব শেষ নয়—সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থেকে সবার উন্মুক্ত ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক শাজাহান আলী, খাইরুল ইসলাম, আলাউদ্দিন আল আজাদ, এনসিপির মাসুম আহমেদ এবং জাসদে সদ্য যোগ দেওয়া সাবেক কাউন্সিলর শাহাদাত হোসেন খোকন।

আপনার মতামত লিখুন