দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেছেন আদালত। ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিভিন্ন প্রকল্পে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা মেলায় রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মোহাম্মদ এজাজের বিরুদ্ধে গাবতলী পশুর হাট ইজারা, ই-রিকশা প্রকল্প, বনানী কাঁচাবাজারে দোকান বরাদ্দ এবং হোটেল শেরাটন (বোরাক টাওয়ার) সংক্রান্ত বির্তকিত দখলসহ একাধিক দুর্নীতির অনুসন্ধান চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়া খিলগাঁও তালতলা সুপার মার্কেটের পার্কিং স্থানে অবৈধভাবে দোকান নির্মাণ ও বরাদ্দ এবং ফুটপাত থেকে চাঁদা আদায়ের মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
দুদকের অনুসন্ধানকারী দল আদালতকে জানায়, অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য প্রদানের জন্য গত ২৯শে জানুয়ারি মোহাম্মদ এজাজকে তলব করা হলেও তিনি উপস্থিত হননি। উপরন্তু, সংস্থাটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছে যে, আইনি প্রক্রিয়া এড়াতে তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। এমন পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার বিদেশযাত্রা স্থগিতে আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করে দুদক।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ই ফেব্রুয়ারি এক বছরের মেয়াদে ডিএনসিসির প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন মোহাম্মদ এজাজ। নিয়োগের কয়েক মাস পরেই অর্থাৎ নভেম্বর মাস থেকে তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগগুলোর আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন।
আদালতের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, “আমাদের পক্ষ থেকে কোনো অন্যায় করা হয়নি। যেকোনো আইনি সিদ্ধান্ত আমরা আইনগতভাবেই মোকাবিলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।”
দুদকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আদালতের এই আদেশের ফলে তদন্ত প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি যাতে বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে যেতে না পারেন, তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেছেন আদালত। ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিভিন্ন প্রকল্পে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা মেলায় রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মোহাম্মদ এজাজের বিরুদ্ধে গাবতলী পশুর হাট ইজারা, ই-রিকশা প্রকল্প, বনানী কাঁচাবাজারে দোকান বরাদ্দ এবং হোটেল শেরাটন (বোরাক টাওয়ার) সংক্রান্ত বির্তকিত দখলসহ একাধিক দুর্নীতির অনুসন্ধান চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়া খিলগাঁও তালতলা সুপার মার্কেটের পার্কিং স্থানে অবৈধভাবে দোকান নির্মাণ ও বরাদ্দ এবং ফুটপাত থেকে চাঁদা আদায়ের মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
দুদকের অনুসন্ধানকারী দল আদালতকে জানায়, অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য প্রদানের জন্য গত ২৯শে জানুয়ারি মোহাম্মদ এজাজকে তলব করা হলেও তিনি উপস্থিত হননি। উপরন্তু, সংস্থাটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছে যে, আইনি প্রক্রিয়া এড়াতে তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। এমন পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার বিদেশযাত্রা স্থগিতে আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করে দুদক।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ই ফেব্রুয়ারি এক বছরের মেয়াদে ডিএনসিসির প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন মোহাম্মদ এজাজ। নিয়োগের কয়েক মাস পরেই অর্থাৎ নভেম্বর মাস থেকে তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগগুলোর আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন।
আদালতের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, “আমাদের পক্ষ থেকে কোনো অন্যায় করা হয়নি। যেকোনো আইনি সিদ্ধান্ত আমরা আইনগতভাবেই মোকাবিলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।”
দুদকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আদালতের এই আদেশের ফলে তদন্ত প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি যাতে বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে যেতে না পারেন, তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন