পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরকাজল ইউনিয়নের চরশিবায় নিকটবর্তী এলাকায় দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনী কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থান নিয়েছে এবং এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী নুরুল হক নুর এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন একই ইউনিয়নের কাছাকাছি এলাকায় একই সময়ে নির্বাচনী জনসভা আয়োজনের ঘোষণা দেন। এতে উভয় পক্ষের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। সম্ভাব্য সংঘাত ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে প্রশাসন সংশ্লিষ্ট এলাকায় সব ধরনের সভা, সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করেছে।
নিষেধাজ্ঞা জারির পাশাপাশি এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, জনসমাগম হতে পারে এমন স্থান এবং প্রবেশপথগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকাল থেকেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী টহল ও নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলে জানা গেছে। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ, র্যাব এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারাও মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ সভা-সমাবেশ বা মিছিলের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। নির্বাচন ঘিরে কোনো ধরনের সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলে প্রশাসন স্পষ্ট করেছে।
এদিকে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হলেও প্রশাসনের তৎপরতায় পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরকাজল ইউনিয়নের চরশিবায় নিকটবর্তী এলাকায় দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনী কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থান নিয়েছে এবং এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী নুরুল হক নুর এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন একই ইউনিয়নের কাছাকাছি এলাকায় একই সময়ে নির্বাচনী জনসভা আয়োজনের ঘোষণা দেন। এতে উভয় পক্ষের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। সম্ভাব্য সংঘাত ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে প্রশাসন সংশ্লিষ্ট এলাকায় সব ধরনের সভা, সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করেছে।
নিষেধাজ্ঞা জারির পাশাপাশি এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, জনসমাগম হতে পারে এমন স্থান এবং প্রবেশপথগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকাল থেকেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী টহল ও নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলে জানা গেছে। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ, র্যাব এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারাও মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ সভা-সমাবেশ বা মিছিলের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। নির্বাচন ঘিরে কোনো ধরনের সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলে প্রশাসন স্পষ্ট করেছে।
এদিকে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হলেও প্রশাসনের তৎপরতায় পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।

আপনার মতামত লিখুন