ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বিশ্বকাপের আগে আইসিসি–ডব্লিউসিএ দ্বন্দ্ব: খেলোয়াড়দের অধিকার নিয়ে নতুন বিতর্ক


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬

বিশ্বকাপের আগে আইসিসি–ডব্লিউসিএ দ্বন্দ্ব: খেলোয়াড়দের অধিকার নিয়ে নতুন বিতর্ক


২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ক্রিকেটারদের অধিকার ও অংশগ্রহণের শর্ত নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এবং ওয়ার্ল্ড ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউসিএ) মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে।

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে রেখে নতুন করে জটিলতায় পড়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ক্রিকেটারদের বৈশ্বিক সংগঠন ওয়ার্ল্ড ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউসিএ) অভিযোগ করেছে, খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত অধিকার, বিশেষ করে নাম, ছবি ও ইমেজ ব্যবহারের স্বত্ব এবং অংশগ্রহণের শর্ত—নিয়ে আইসিসির প্রস্তাবিত নিয়মাবলি আগের চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং শোষণমূলক।

ইএসপিএন-ক্রিকইনফো প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ডব্লিউসিএর দাবি অনুযায়ী ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য আইসিসি খেলোয়াড়দের কাছে যেসব শর্ত পাঠিয়েছে, সেগুলো ২০২৪ সালে দুই পক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সংগঠনটির মতে, নতুন শর্তগুলো খেলোয়াড়দের সম্মতি ও সুরক্ষাকে উপেক্ষা করছে।

এ বিষয়ে ডব্লিউসিএ আইসিসিকে লিখিতভাবে উদ্বেগ জানিয়েছে। পাল্টা জবাবে আইসিসি জানিয়েছে, ২০২৪ সালের চুক্তিটি কেবল আটটি জাতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (এনজিবি) জন্য প্রযোজ্য ছিল। বাকি দেশগুলোর ক্ষেত্রে ওই চুক্তি কার্যকর নয় বলে দাবি করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

আইসিসি যে আটটি বোর্ডের কথা উল্লেখ করেছে, সেগুলো হলো: অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও স্কটল্যান্ড। ভারতে গিয়ে খেলতে রাজি না হওয়ায় বাংলাদেশ এই তালিকায় নেই; তার পরিবর্তে স্কটল্যান্ড যুক্ত হয়েছে। অন্যদিকে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বোর্ড ডব্লিউসিএকে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এসব দেশের খেলোয়াড়েরা সংগঠনটির সদস্য নন।

এ ছাড়া ইতালি, জিম্বাবুয়ে, আফগানিস্তান, নামিবিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার খেলোয়াড় সংগঠন থাকলেও গত ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত তারা আইসিসির কাছ থেকে কোনো শর্তাবলি পায়নি। ডব্লিউসিএ আশঙ্কা করছে, ভবিষ্যতে তাদের কাছেও একই বিতর্কিত শর্ত পাঠানো হতে পারে।

ডব্লিউসিএর বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের চুক্তিটি ছিল সংগঠনের সব সদস্যের জন্য তারা বিশ্বকাপে খেলুক বা না খেলুক। আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে এই চুক্তি সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হওয়া উচিত বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।

গত ১৫ জানুয়ারি খেলোয়াড়দের পাঠানো এক স্মারকে ডব্লিউসিএর প্রধান নির্বাহী টম মোফাট আটটি ক্ষেত্রে অসংগতির কথা তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে গণমাধ্যমে উপস্থিতি, ড্রেসিংরুমে প্রবেশাধিকার, খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত ও বায়োলজিক্যাল তথ্য ব্যবহার, বাণিজ্যিক লাইসেন্স এবং আইনি বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতি।

বিতর্কের মূল কেন্দ্রে রয়েছে খেলোয়াড়দের সম্মতির অধিকার। ২০২৪ সালের চুক্তিতে বলা হয়েছিল, এসব বিষয়ে খেলোয়াড়েরা ব্যক্তিগতভাবে বা ডব্লিউসিএর মাধ্যমে দর-কষাকষি করতে পারবেন। কিন্তু আইসিসির নতুন শর্ত অনুযায়ী, এসব ক্ষেত্রে খেলোয়াড়দের আলাদা সম্মতির প্রয়োজন নেই; সংশ্লিষ্ট বোর্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে ধরা হবে।

উদাহরণ হিসেবে খেলোয়াড়দের ছবি ব্যবহারের বিষয়টি উল্লেখ করেছে ডব্লিউসিএ। নতুন শর্তে তৃতীয় পক্ষকে খেলোয়াড়দের ছবি ব্যবহারের লাইসেন্স দিতে বাধ্য করার কথা বলা হয়েছে। এমনকি একটি দলের তিনজন খেলোয়াড়ের ছবি ব্যবহার করে আইসিসির কোনো বাণিজ্যিক অংশীদার পণ্যের প্রচার চালাতে পারবে। অথচ আগের চুক্তিতে বিষয়টি সীমিত ছিল এবং ডব্লিউসিএর সঙ্গে আলোচনার ওপর নির্ভরশীল ছিল।

এ ছাড়া খেলোয়াড়দের বায়োলজিক্যাল ও ব্যক্তিগত তথ্যের মালিকানা নিয়েও বিরোধ তৈরি হয়েছে। আইসিসি চায় এসব তথ্যের মালিকানা নিজেদের কাছে রাখতে এবং বোর্ডের অনুমতি নিয়ে তা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করতে। ডব্লিউসিএর মতে, এসব তথ্যের প্রকৃত মালিক খেলোয়াড় নিজেই এবং তার সম্মতি ছাড়া কোনোভাবেই তা ব্যবহার করা উচিত নয়।

সবচেয়ে বিতর্কিত শর্ত হিসেবে ডব্লিউসিএ উল্লেখ করেছে—বিশ্বকাপে অংশ নিলে ধরে নেওয়া হবে খেলোয়াড় সব শর্ত মেনে নিয়েছেন, তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সই করুন বা না করুন। সংগঠনটি এই পদ্ধতিকে ‘জোর করে চাপিয়ে দেওয়া’ বলে আখ্যা দিয়েছে।

ডব্লিউসিএর প্রধান নির্বাহী টম মোফাট অভিযোগ করে বলেন, আইসিসি ও সদস্য বোর্ডগুলো সম্মিলিতভাবে খেলোয়াড়দের প্রাপ্য সুরক্ষা তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং কার্যত তাদের ‘মালিকানা’ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তাঁর মতে, অপেক্ষাকৃত কম বেতন পাওয়া বা অপেশাদার খেলোয়াড়রাই এই শর্তের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

তবে মোফাট স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ডব্লিউসিএ বিশ্বকাপ আয়োজন ব্যাহত করতে চায় না। তিনি বলেন, অনেক খেলোয়াড়ের জন্য আইসিসি ইভেন্টই আয়ের প্রধান উৎস, তাই এই শর্তগুলো আর্থিকভাবে দুর্বল খেলোয়াড়দের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

এই সপ্তাহের শুরুতে পাঠানো ডব্লিউসিএর সর্বশেষ চিঠির জবাব এখনো দেয়নি আইসিসি। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে ইএসপিএন-ক্রিকইনফোর পক্ষ থেকে আইসিসির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


বিশ্বকাপের আগে আইসিসি–ডব্লিউসিএ দ্বন্দ্ব: খেলোয়াড়দের অধিকার নিয়ে নতুন বিতর্ক

প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image


২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ক্রিকেটারদের অধিকার ও অংশগ্রহণের শর্ত নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এবং ওয়ার্ল্ড ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউসিএ) মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে।

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে রেখে নতুন করে জটিলতায় পড়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ক্রিকেটারদের বৈশ্বিক সংগঠন ওয়ার্ল্ড ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউসিএ) অভিযোগ করেছে, খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত অধিকার, বিশেষ করে নাম, ছবি ও ইমেজ ব্যবহারের স্বত্ব এবং অংশগ্রহণের শর্ত—নিয়ে আইসিসির প্রস্তাবিত নিয়মাবলি আগের চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং শোষণমূলক।

ইএসপিএন-ক্রিকইনফো প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ডব্লিউসিএর দাবি অনুযায়ী ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য আইসিসি খেলোয়াড়দের কাছে যেসব শর্ত পাঠিয়েছে, সেগুলো ২০২৪ সালে দুই পক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সংগঠনটির মতে, নতুন শর্তগুলো খেলোয়াড়দের সম্মতি ও সুরক্ষাকে উপেক্ষা করছে।

এ বিষয়ে ডব্লিউসিএ আইসিসিকে লিখিতভাবে উদ্বেগ জানিয়েছে। পাল্টা জবাবে আইসিসি জানিয়েছে, ২০২৪ সালের চুক্তিটি কেবল আটটি জাতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (এনজিবি) জন্য প্রযোজ্য ছিল। বাকি দেশগুলোর ক্ষেত্রে ওই চুক্তি কার্যকর নয় বলে দাবি করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

আইসিসি যে আটটি বোর্ডের কথা উল্লেখ করেছে, সেগুলো হলো: অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও স্কটল্যান্ড। ভারতে গিয়ে খেলতে রাজি না হওয়ায় বাংলাদেশ এই তালিকায় নেই; তার পরিবর্তে স্কটল্যান্ড যুক্ত হয়েছে। অন্যদিকে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বোর্ড ডব্লিউসিএকে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এসব দেশের খেলোয়াড়েরা সংগঠনটির সদস্য নন।

এ ছাড়া ইতালি, জিম্বাবুয়ে, আফগানিস্তান, নামিবিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার খেলোয়াড় সংগঠন থাকলেও গত ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত তারা আইসিসির কাছ থেকে কোনো শর্তাবলি পায়নি। ডব্লিউসিএ আশঙ্কা করছে, ভবিষ্যতে তাদের কাছেও একই বিতর্কিত শর্ত পাঠানো হতে পারে।

ডব্লিউসিএর বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের চুক্তিটি ছিল সংগঠনের সব সদস্যের জন্য তারা বিশ্বকাপে খেলুক বা না খেলুক। আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে এই চুক্তি সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হওয়া উচিত বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।

গত ১৫ জানুয়ারি খেলোয়াড়দের পাঠানো এক স্মারকে ডব্লিউসিএর প্রধান নির্বাহী টম মোফাট আটটি ক্ষেত্রে অসংগতির কথা তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে গণমাধ্যমে উপস্থিতি, ড্রেসিংরুমে প্রবেশাধিকার, খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত ও বায়োলজিক্যাল তথ্য ব্যবহার, বাণিজ্যিক লাইসেন্স এবং আইনি বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতি।

বিতর্কের মূল কেন্দ্রে রয়েছে খেলোয়াড়দের সম্মতির অধিকার। ২০২৪ সালের চুক্তিতে বলা হয়েছিল, এসব বিষয়ে খেলোয়াড়েরা ব্যক্তিগতভাবে বা ডব্লিউসিএর মাধ্যমে দর-কষাকষি করতে পারবেন। কিন্তু আইসিসির নতুন শর্ত অনুযায়ী, এসব ক্ষেত্রে খেলোয়াড়দের আলাদা সম্মতির প্রয়োজন নেই; সংশ্লিষ্ট বোর্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে ধরা হবে।

উদাহরণ হিসেবে খেলোয়াড়দের ছবি ব্যবহারের বিষয়টি উল্লেখ করেছে ডব্লিউসিএ। নতুন শর্তে তৃতীয় পক্ষকে খেলোয়াড়দের ছবি ব্যবহারের লাইসেন্স দিতে বাধ্য করার কথা বলা হয়েছে। এমনকি একটি দলের তিনজন খেলোয়াড়ের ছবি ব্যবহার করে আইসিসির কোনো বাণিজ্যিক অংশীদার পণ্যের প্রচার চালাতে পারবে। অথচ আগের চুক্তিতে বিষয়টি সীমিত ছিল এবং ডব্লিউসিএর সঙ্গে আলোচনার ওপর নির্ভরশীল ছিল।

এ ছাড়া খেলোয়াড়দের বায়োলজিক্যাল ও ব্যক্তিগত তথ্যের মালিকানা নিয়েও বিরোধ তৈরি হয়েছে। আইসিসি চায় এসব তথ্যের মালিকানা নিজেদের কাছে রাখতে এবং বোর্ডের অনুমতি নিয়ে তা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করতে। ডব্লিউসিএর মতে, এসব তথ্যের প্রকৃত মালিক খেলোয়াড় নিজেই এবং তার সম্মতি ছাড়া কোনোভাবেই তা ব্যবহার করা উচিত নয়।

সবচেয়ে বিতর্কিত শর্ত হিসেবে ডব্লিউসিএ উল্লেখ করেছে—বিশ্বকাপে অংশ নিলে ধরে নেওয়া হবে খেলোয়াড় সব শর্ত মেনে নিয়েছেন, তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সই করুন বা না করুন। সংগঠনটি এই পদ্ধতিকে ‘জোর করে চাপিয়ে দেওয়া’ বলে আখ্যা দিয়েছে।

ডব্লিউসিএর প্রধান নির্বাহী টম মোফাট অভিযোগ করে বলেন, আইসিসি ও সদস্য বোর্ডগুলো সম্মিলিতভাবে খেলোয়াড়দের প্রাপ্য সুরক্ষা তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং কার্যত তাদের ‘মালিকানা’ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তাঁর মতে, অপেক্ষাকৃত কম বেতন পাওয়া বা অপেশাদার খেলোয়াড়রাই এই শর্তের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

তবে মোফাট স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ডব্লিউসিএ বিশ্বকাপ আয়োজন ব্যাহত করতে চায় না। তিনি বলেন, অনেক খেলোয়াড়ের জন্য আইসিসি ইভেন্টই আয়ের প্রধান উৎস, তাই এই শর্তগুলো আর্থিকভাবে দুর্বল খেলোয়াড়দের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

এই সপ্তাহের শুরুতে পাঠানো ডব্লিউসিএর সর্বশেষ চিঠির জবাব এখনো দেয়নি আইসিসি। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে ইএসপিএন-ক্রিকইনফোর পক্ষ থেকে আইসিসির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ