সাতক্ষীরায় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ভাইভায় হাতের লেখার অমিল ধরা পড়ায় আসমা খাতুন নামের এক নারী প্রার্থীকে আটক করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ভাইভা চলাকালীন লিখিত পরীক্ষার ওএমআর শিটের লেখার সঙ্গে ওই প্রার্থীর বর্তমান হাতের লেখার অসংগতি পাওয়ায় জেলা প্রশাসন তার প্রার্থিতা বাতিল করে। পরবর্তীতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হলে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান নিয়মিত মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এই ঘটনা নিয়ে কিছুটা ভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রুহুল আমীন। তিনি জানান যে ভাইভায় সঠিক উত্তর দিতে না পারা এবং হাতের লেখার অমিলের কারণে ধারণা করা হচ্ছে হয়তো ওই প্রার্থীর পরিবর্তে অন্য কেউ লিখিত পরীক্ষা দিয়ে দিয়েছিলেন। তবে তিনি পুরো বিষয়টিকে কিছুটা অমানবিক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার তথ্যমতে আসমা খাতুন একজন দরিদ্র পরিবারের সদস্য যার স্বামী পঙ্গু এবং দুটি ছোট বাচ্চা রয়েছে।
জানা গেছে যে ভাইভা পরীক্ষা দিয়ে ওই নারী প্রথমে বাসায় চলে গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তাকে বাসা থেকে পুনরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ডেকে এনে আটকে রাখা হয় এবং পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জালিয়াতি রোধে প্রশাসনের এমন কঠোর অবস্থান থাকলেও প্রার্থীর পারিবারিক পরিস্থিতির কারণে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
সাতক্ষীরায় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ভাইভায় হাতের লেখার অমিল ধরা পড়ায় আসমা খাতুন নামের এক নারী প্রার্থীকে আটক করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ভাইভা চলাকালীন লিখিত পরীক্ষার ওএমআর শিটের লেখার সঙ্গে ওই প্রার্থীর বর্তমান হাতের লেখার অসংগতি পাওয়ায় জেলা প্রশাসন তার প্রার্থিতা বাতিল করে। পরবর্তীতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হলে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান নিয়মিত মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এই ঘটনা নিয়ে কিছুটা ভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রুহুল আমীন। তিনি জানান যে ভাইভায় সঠিক উত্তর দিতে না পারা এবং হাতের লেখার অমিলের কারণে ধারণা করা হচ্ছে হয়তো ওই প্রার্থীর পরিবর্তে অন্য কেউ লিখিত পরীক্ষা দিয়ে দিয়েছিলেন। তবে তিনি পুরো বিষয়টিকে কিছুটা অমানবিক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার তথ্যমতে আসমা খাতুন একজন দরিদ্র পরিবারের সদস্য যার স্বামী পঙ্গু এবং দুটি ছোট বাচ্চা রয়েছে।
জানা গেছে যে ভাইভা পরীক্ষা দিয়ে ওই নারী প্রথমে বাসায় চলে গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তাকে বাসা থেকে পুনরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ডেকে এনে আটকে রাখা হয় এবং পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জালিয়াতি রোধে প্রশাসনের এমন কঠোর অবস্থান থাকলেও প্রার্থীর পারিবারিক পরিস্থিতির কারণে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন