পাবনায় চাঞ্চল্যকর শিশু হাফসা খাতুনকে ৯ ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার তদন্তভার অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। গত ২১ জানুয়ারী বুধবার আদালতের এক নির্দেশনায় মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
উল্লেখ্য গত ১৫ নভেম্বর ২০২৫ রওসান ফেরদৌস হাফসা বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরবর্তীতে বাড়ির পাশের জঙ্গল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পাবনা সদর থানা পুলিশ । ময়নাতদন্তের রিপোর্টে শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যার আলামত পাওয়া গেলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ব্যাপারে নিহতের মা ঋতু খাতুন পাবনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে । হত্যাকাণ্ড ঘটনার পরপর পাবনা সদর থানা পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করে । আদালতের মাধ্যমে আসামিদের তিন দিনের রিমান্ডে আনলেও একটি রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহলের চাপে হত্যাকাণ্ড ঘটনার আসল রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়নি থানা পুলিশ।
স্থানীয় থানা পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে কিছু অগ্রগতি করলেও মামলার রহস্য পুরোপুরি উদ্ঘাটন এবং মূল অপরাধীদের শনাক্ত করতে বিশেষজ্ঞ তদন্তের প্রয়োজন মনে করছে কর্তৃপক্ষ। সিআইডির উন্নত ডিএনএ এবং ফরেনসিক ল্যাব ব্যবহারের মাধ্যমে অপরাধীদের অকাট্য প্রমাণ সংগ্রহ করতে সক্ষম । ঘটনার সাথে একাধিক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা আছে কি না তা খতিয়ে দেখা এবং মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় উচ্চতর সংস্থার মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করবে ।
পাবনা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মামলার নথিপত্র ইতিমধ্যে সিআইডির কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে সিআইডির একটি বিশেষ টিম এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করবে। জেলা পুলিশ তদন্তের প্রয়োজনে সিআইডিকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে। এদিকে, মামলার তদন্তভার সিআইডিতে হস্তান্তরের খবরে হাফসার পরিবার ও এলাকাবাসী দ্রুত বিচার এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
পাবনায় চাঞ্চল্যকর শিশু হাফসা খাতুনকে ৯ ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার তদন্তভার অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। গত ২১ জানুয়ারী বুধবার আদালতের এক নির্দেশনায় মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
উল্লেখ্য গত ১৫ নভেম্বর ২০২৫ রওসান ফেরদৌস হাফসা বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরবর্তীতে বাড়ির পাশের জঙ্গল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পাবনা সদর থানা পুলিশ । ময়নাতদন্তের রিপোর্টে শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যার আলামত পাওয়া গেলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ব্যাপারে নিহতের মা ঋতু খাতুন পাবনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে । হত্যাকাণ্ড ঘটনার পরপর পাবনা সদর থানা পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করে । আদালতের মাধ্যমে আসামিদের তিন দিনের রিমান্ডে আনলেও একটি রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহলের চাপে হত্যাকাণ্ড ঘটনার আসল রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়নি থানা পুলিশ।
স্থানীয় থানা পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে কিছু অগ্রগতি করলেও মামলার রহস্য পুরোপুরি উদ্ঘাটন এবং মূল অপরাধীদের শনাক্ত করতে বিশেষজ্ঞ তদন্তের প্রয়োজন মনে করছে কর্তৃপক্ষ। সিআইডির উন্নত ডিএনএ এবং ফরেনসিক ল্যাব ব্যবহারের মাধ্যমে অপরাধীদের অকাট্য প্রমাণ সংগ্রহ করতে সক্ষম । ঘটনার সাথে একাধিক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা আছে কি না তা খতিয়ে দেখা এবং মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় উচ্চতর সংস্থার মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করবে ।
পাবনা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মামলার নথিপত্র ইতিমধ্যে সিআইডির কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে সিআইডির একটি বিশেষ টিম এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করবে। জেলা পুলিশ তদন্তের প্রয়োজনে সিআইডিকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে। এদিকে, মামলার তদন্তভার সিআইডিতে হস্তান্তরের খবরে হাফসার পরিবার ও এলাকাবাসী দ্রুত বিচার এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন