বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সরকার গঠন করতে পারলে নর্থ বেঙ্গলের মরা নদীগুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। নদীর প্রাণ ফিরে এলে নর্থ বেঙ্গলের জীবনও ফিরে আসবে ইনশাআল্লাহ। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার এস এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ১০ দলীয় ঐক্য জোট আয়োজিত নির্বাচনী প্রচারণা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তাদের লক্ষ্য গোটা নর্থ বেঙ্গলকে একটি কৃষিভিত্তিক রাজধানীতে রূপান্তর করা। এখানকার মানুষ আসমানের আপেল চায় না, তারা কঠোর পরিশ্রম করে সহজ-সরল জীবনযাপনেই তুষ্ট। প্রয়োজন শুধু তাদের পরিশ্রমের ন্যায্য সুযোগ ও পরিবেশ সৃষ্টি করে দেওয়া।
সমাবেশে তিনি আরও বলেন, তারা কারো রক্তচক্ষুকে ভয় করেন না, ভয় করেন কেবল আল্লাহ রাব্বুল আলামিনকে। বাংলাদেশে কোনো আধিপত্যবাদের ছায়া দেখতে চান না বলেও উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে বিশ্বের সব সভ্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরে বলেন, প্রতিবেশীদের প্রতিবেশী হিসেবেই দেখতে চান তারা। কারো ওপর খবরদারি করার ইচ্ছা যেমন নেই, তেমনি বাংলাদেশের ৫৬ হাজার বর্গমাইলের ওপর অন্য কারো খবরদারিও মেনে নেওয়া হবে না।
ভোটারদের উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, হ্যাঁ ভোটের পক্ষে একটি গণজোয়ার সৃষ্টি করতে হবে। সেই হ্যাঁ ভোটের জোয়ারে অতীতের বস্তাপচা রাষ্ট্রব্যবস্থা ভেসে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সমাবেশের শেষ পর্যায়ে ১০ দলীয় সমন্বয়ের পক্ষ থেকে গাইবান্ধার পাঁচটি আসনের প্রার্থীদের হাতে নির্বাচনী প্রতীক তুলে দেওয়া হয়। এ সময় বিজয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত জানমাল দিয়ে মাঠে থাকার আহ্বান জানানো হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সরকার গঠন করতে পারলে নর্থ বেঙ্গলের মরা নদীগুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। নদীর প্রাণ ফিরে এলে নর্থ বেঙ্গলের জীবনও ফিরে আসবে ইনশাআল্লাহ। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার এস এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ১০ দলীয় ঐক্য জোট আয়োজিত নির্বাচনী প্রচারণা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তাদের লক্ষ্য গোটা নর্থ বেঙ্গলকে একটি কৃষিভিত্তিক রাজধানীতে রূপান্তর করা। এখানকার মানুষ আসমানের আপেল চায় না, তারা কঠোর পরিশ্রম করে সহজ-সরল জীবনযাপনেই তুষ্ট। প্রয়োজন শুধু তাদের পরিশ্রমের ন্যায্য সুযোগ ও পরিবেশ সৃষ্টি করে দেওয়া।
সমাবেশে তিনি আরও বলেন, তারা কারো রক্তচক্ষুকে ভয় করেন না, ভয় করেন কেবল আল্লাহ রাব্বুল আলামিনকে। বাংলাদেশে কোনো আধিপত্যবাদের ছায়া দেখতে চান না বলেও উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে বিশ্বের সব সভ্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরে বলেন, প্রতিবেশীদের প্রতিবেশী হিসেবেই দেখতে চান তারা। কারো ওপর খবরদারি করার ইচ্ছা যেমন নেই, তেমনি বাংলাদেশের ৫৬ হাজার বর্গমাইলের ওপর অন্য কারো খবরদারিও মেনে নেওয়া হবে না।
ভোটারদের উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, হ্যাঁ ভোটের পক্ষে একটি গণজোয়ার সৃষ্টি করতে হবে। সেই হ্যাঁ ভোটের জোয়ারে অতীতের বস্তাপচা রাষ্ট্রব্যবস্থা ভেসে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সমাবেশের শেষ পর্যায়ে ১০ দলীয় সমন্বয়ের পক্ষ থেকে গাইবান্ধার পাঁচটি আসনের প্রার্থীদের হাতে নির্বাচনী প্রতীক তুলে দেওয়া হয়। এ সময় বিজয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত জানমাল দিয়ে মাঠে থাকার আহ্বান জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন