নির্বাচন, সরকার গঠন ও রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে নীতিনির্ধারণী অস্পষ্টতার কারণেই বৃহত্তর রাজনৈতিক সমঝোতা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করীম। তিনি জানিয়েছেন, আদর্শিক স্বচ্ছতা না থাকায় জোটবদ্ধ পথচলা সম্ভব হয়নি।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় কৌশল ও দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
রাজনৈতিক সমঝোতা ও অস্পষ্টতা চরমোনাই পীর বলেন, “যেকোনো রাজনৈতিক পথচলায় লক্ষ্য ও নীতির স্পষ্টতা অপরিহার্য। রাষ্ট্র পরিচালনা ও সরকার গঠনের ক্ষেত্রে কোন নীতি অনুসৃত হবে, সে বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা নিতে ব্যর্থ হওয়ার কারণেই বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্যের প্রচেষ্টা সফল হয়নি।” তিনি বিশেষ কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে বলেন, সমঝোতা প্রক্রিয়ায় থাকা একটি বৃহৎ দলের নীতিগত অস্পষ্টতা রাজনৈতিক জটিলতাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল।
ভোটাধিকার নিয়ে আহ্বান আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মুফতি রেজাউল করীম বলেন, বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের মৌলিক ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। আসন্ন নির্বাচনে সাধারণ মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে তাঁদের মতপ্রকাশ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর যৌথ দায়িত্ব। জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগকে কাজে লাগাতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দেন তিনি।
ইসলামী আন্দোলনের অবস্থান দলের নির্বাচনি অবস্থান স্পষ্ট করে আমির বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাষ্ট্র পরিচালনায় ইসলামি নীতিমালা অনুসরণে কোনো দ্বিধা করে না। বরং গর্বের সাথে উচ্চকণ্ঠে ইসলামের সুমহান আদর্শ বাস্তবায়নের ঘোষণা দেয়। আগামী নির্বাচনেও তাঁরা জনমানুষের দুয়ারে ইসলামের ন্যায়বিচার ও দাওয়াত নিয়ে যাবেন এবং এই লক্ষ্যেই নেতাকর্মীদের কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।
বৈঠকে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা সিদ্দিকুর রহমানসহ দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় আসন্ন নির্বাচনে সারা দেশে দলীয় প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা এবং জনমত গঠনের বিষয়ে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
নির্বাচন, সরকার গঠন ও রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে নীতিনির্ধারণী অস্পষ্টতার কারণেই বৃহত্তর রাজনৈতিক সমঝোতা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করীম। তিনি জানিয়েছেন, আদর্শিক স্বচ্ছতা না থাকায় জোটবদ্ধ পথচলা সম্ভব হয়নি।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় কৌশল ও দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
রাজনৈতিক সমঝোতা ও অস্পষ্টতা চরমোনাই পীর বলেন, “যেকোনো রাজনৈতিক পথচলায় লক্ষ্য ও নীতির স্পষ্টতা অপরিহার্য। রাষ্ট্র পরিচালনা ও সরকার গঠনের ক্ষেত্রে কোন নীতি অনুসৃত হবে, সে বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা নিতে ব্যর্থ হওয়ার কারণেই বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্যের প্রচেষ্টা সফল হয়নি।” তিনি বিশেষ কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে বলেন, সমঝোতা প্রক্রিয়ায় থাকা একটি বৃহৎ দলের নীতিগত অস্পষ্টতা রাজনৈতিক জটিলতাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল।
ভোটাধিকার নিয়ে আহ্বান আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মুফতি রেজাউল করীম বলেন, বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের মৌলিক ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। আসন্ন নির্বাচনে সাধারণ মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে তাঁদের মতপ্রকাশ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর যৌথ দায়িত্ব। জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগকে কাজে লাগাতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দেন তিনি।
ইসলামী আন্দোলনের অবস্থান দলের নির্বাচনি অবস্থান স্পষ্ট করে আমির বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাষ্ট্র পরিচালনায় ইসলামি নীতিমালা অনুসরণে কোনো দ্বিধা করে না। বরং গর্বের সাথে উচ্চকণ্ঠে ইসলামের সুমহান আদর্শ বাস্তবায়নের ঘোষণা দেয়। আগামী নির্বাচনেও তাঁরা জনমানুষের দুয়ারে ইসলামের ন্যায়বিচার ও দাওয়াত নিয়ে যাবেন এবং এই লক্ষ্যেই নেতাকর্মীদের কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।
বৈঠকে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা সিদ্দিকুর রহমানসহ দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় আসন্ন নির্বাচনে সারা দেশে দলীয় প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা এবং জনমত গঠনের বিষয়ে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন