রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অপরাধবিরোধী বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ চালিয়ে মাদক ও অন্যান্য অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দিনব্যাপী রাজধানীর ছয়টি থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
শুক্রবার বিকেলে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যাত্রাবাড়ী, বংশাল, শেরেবাংলা নগর, মুগদা, রূপনগর ও পল্টন মডেল থানা এলাকায় এই বিশেষ তৎপরতা চালানো হয়।
থানাভিত্তিক গ্রেপ্তারের পরিসংখ্যান ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে সবচেয়ে বেশি গ্রেপ্তার হয়েছে মুগদা ও পল্টন এলাকায়। মুগদা থানা পুলিশ ১৫ জনকে এবং পল্টন মডেল থানা পুলিশ ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়া যাত্রাবাড়ী থেকে ৮ জন, রূপনগর থেকে ৬ জন, শেরেবাংলা নগর থেকে ৪ জন এবং বংশাল থানা এলাকা থেকে ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মাদক ও অভিযুক্তরা যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ জানিয়েছে, তাদের অভিযানে ৮ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের কাছ থেকে ৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন আবুল কাশেম মিয়া, আলমগীর হোসেন, ওয়াসিম মাহমুদ, আসাদ, রিপন, সাজু বেগম ও নিলয়।
মুগদা থানা থেকে গ্রেপ্তার ১৫ জনের মধ্যে ফরিদ হাওলাদার, আব্দুস সালাম, জয়, গোলাম রাব্বী এবং তালিকাভুক্ত অপরাধী মাসুদ ওরফে ‘কের কের মাসুদ’ অন্যতম। পল্টন মডেল থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে পবিত্র কুমার বড়ুয়া, শান্ত, মাসুম ওরফে লিটন ও ‘পিচ্চি রাজন’সহ ১২ জনকে। অন্যদিকে রূপনগর ও শেরেবাংলা নগর থানা এলাকা থেকেও বেশ কয়েকজন চিহ্নিত অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
আইনি পদক্ষেপ ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শুক্রবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এর আওতায় পুলিশের এই কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অপরাধবিরোধী বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ চালিয়ে মাদক ও অন্যান্য অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দিনব্যাপী রাজধানীর ছয়টি থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
শুক্রবার বিকেলে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যাত্রাবাড়ী, বংশাল, শেরেবাংলা নগর, মুগদা, রূপনগর ও পল্টন মডেল থানা এলাকায় এই বিশেষ তৎপরতা চালানো হয়।
থানাভিত্তিক গ্রেপ্তারের পরিসংখ্যান ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে সবচেয়ে বেশি গ্রেপ্তার হয়েছে মুগদা ও পল্টন এলাকায়। মুগদা থানা পুলিশ ১৫ জনকে এবং পল্টন মডেল থানা পুলিশ ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়া যাত্রাবাড়ী থেকে ৮ জন, রূপনগর থেকে ৬ জন, শেরেবাংলা নগর থেকে ৪ জন এবং বংশাল থানা এলাকা থেকে ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মাদক ও অভিযুক্তরা যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ জানিয়েছে, তাদের অভিযানে ৮ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের কাছ থেকে ৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন আবুল কাশেম মিয়া, আলমগীর হোসেন, ওয়াসিম মাহমুদ, আসাদ, রিপন, সাজু বেগম ও নিলয়।
মুগদা থানা থেকে গ্রেপ্তার ১৫ জনের মধ্যে ফরিদ হাওলাদার, আব্দুস সালাম, জয়, গোলাম রাব্বী এবং তালিকাভুক্ত অপরাধী মাসুদ ওরফে ‘কের কের মাসুদ’ অন্যতম। পল্টন মডেল থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে পবিত্র কুমার বড়ুয়া, শান্ত, মাসুম ওরফে লিটন ও ‘পিচ্চি রাজন’সহ ১২ জনকে। অন্যদিকে রূপনগর ও শেরেবাংলা নগর থানা এলাকা থেকেও বেশ কয়েকজন চিহ্নিত অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
আইনি পদক্ষেপ ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শুক্রবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এর আওতায় পুলিশের এই কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন