লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) সংসদীয় আসনে এক ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক দৃশ্যপট তৈরি হয়েছে। এই আসনে ১০-দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে ছেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তাঁর বাবা প্রকাশ্যে ভোট চাচ্ছেন বিএনপির ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে।
পারিবারিক সম্পর্কের ঊর্ধ্বে রাজনৈতিক আদর্শকে স্থান দেওয়ার এই ঘটনাটি এখন জেলাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এনসিপি মনোনীত প্রার্থী মাহবুব আলম সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের বড় ভাই। অন্যদিকে তাঁর বাবা আজিজুর রহমান স্থানীয় ইছাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।
আদর্শ বনাম পরিবারের লড়াই শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রামগঞ্জ উপজেলার ইছাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেন আজিজুর রহমান। এসময় তিনি বিএনপির প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সেলিমের সঙ্গে অন্তত ১৮টি পথসভায় যোগ দিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।
ছেলের বিরুদ্ধে অন্য প্রার্থীর প্রচারণায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে আজিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, “পরিবার আমার ব্যক্তিগত বিষয়, কিন্তু রাজনীতি হলো আমার আদর্শ ও অবস্থানের জায়গা। আমি দীর্ঘ দিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে আমার রাজনৈতিক নীতি ও আদর্শ বিসর্জন দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তাই আমি আমার দলের প্রার্থীর পক্ষেই মাঠে নেমেছি। তবে বাবা হিসেবে ছেলের জন্য আমার দোয়া সব সময়ই থাকবে।”
এনসিপি প্রার্থীর প্রতিক্রিয়া বাবার এমন অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিপি প্রার্থী মাহবুব আলম কিছুটা কৌশলী উত্তর দেন। তিনি বলেন, “বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। তবে এই মুহূর্তে এটি নিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। এ ব্যাপারে আপনারা আমার বাবাকেই সরাসরি জিজ্ঞাসা করতে পারেন।” মাহবুব আলম এর আগে এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
উল্লেখ্য, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে ১০-দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে মাহবুব আলম শাপলা কলি প্রতীকে লড়ছেন। অন্যদিকে বিএনপি নেতা শাহাদাত হোসেন সেলিম ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। একই পরিবারে দুই ভিন্ন রাজনৈতিক আদর্শের এই সহাবস্থান ও পাল্টাপাল্টি প্রচারণা স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) সংসদীয় আসনে এক ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক দৃশ্যপট তৈরি হয়েছে। এই আসনে ১০-দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে ছেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তাঁর বাবা প্রকাশ্যে ভোট চাচ্ছেন বিএনপির ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে।
পারিবারিক সম্পর্কের ঊর্ধ্বে রাজনৈতিক আদর্শকে স্থান দেওয়ার এই ঘটনাটি এখন জেলাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এনসিপি মনোনীত প্রার্থী মাহবুব আলম সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের বড় ভাই। অন্যদিকে তাঁর বাবা আজিজুর রহমান স্থানীয় ইছাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।
আদর্শ বনাম পরিবারের লড়াই শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রামগঞ্জ উপজেলার ইছাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেন আজিজুর রহমান। এসময় তিনি বিএনপির প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সেলিমের সঙ্গে অন্তত ১৮টি পথসভায় যোগ দিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।
ছেলের বিরুদ্ধে অন্য প্রার্থীর প্রচারণায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে আজিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, “পরিবার আমার ব্যক্তিগত বিষয়, কিন্তু রাজনীতি হলো আমার আদর্শ ও অবস্থানের জায়গা। আমি দীর্ঘ দিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে আমার রাজনৈতিক নীতি ও আদর্শ বিসর্জন দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তাই আমি আমার দলের প্রার্থীর পক্ষেই মাঠে নেমেছি। তবে বাবা হিসেবে ছেলের জন্য আমার দোয়া সব সময়ই থাকবে।”
এনসিপি প্রার্থীর প্রতিক্রিয়া বাবার এমন অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিপি প্রার্থী মাহবুব আলম কিছুটা কৌশলী উত্তর দেন। তিনি বলেন, “বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। তবে এই মুহূর্তে এটি নিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। এ ব্যাপারে আপনারা আমার বাবাকেই সরাসরি জিজ্ঞাসা করতে পারেন।” মাহবুব আলম এর আগে এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
উল্লেখ্য, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে ১০-দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে মাহবুব আলম শাপলা কলি প্রতীকে লড়ছেন। অন্যদিকে বিএনপি নেতা শাহাদাত হোসেন সেলিম ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। একই পরিবারে দুই ভিন্ন রাজনৈতিক আদর্শের এই সহাবস্থান ও পাল্টাপাল্টি প্রচারণা স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন