নানা নাটকীয়তার পর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসরের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। শিরোপা নির্ধারণী এই ম্যাচে কার হাতে উঠবে ট্রফি—সে অপেক্ষায় ক্রিকেটভক্তরা। নিজেদের সেরা দিয়ে ইতিহাস গড়তে চায় চট্টগ্রাম, আর দ্বিতীয় শিরোপার স্বপ্ন দেখছে রাজশাহী।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে দুই দল।
এবারের আসরের শুরু থেকেই ফেভারিট হিসেবে বিবেচিত ছিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। হেড কোচ হান্নান সরকারের কৌশলী পরিকল্পনায় নিলামের টেবিলেই শক্তিশালী দল গড়ে তোলে বরেন্দ্র অঞ্চলের ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, একঝাঁক তরুণ ক্রিকেটার এবং অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ দল হিসেবে যাত্রা শুরু করে রাজশাহী।
টুর্নামেন্টের শুরুটাও ছিল দুর্দান্ত। প্রথম ম্যাচেই সিলেটকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস পায় দলটি। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে লিগপর্ব শেষে প্লে-অফ নিশ্চিত করে রাজশাহী। তবে প্রথম কোয়ালিফায়ারে চট্টগ্রামের কাছে হার মানতে হয় শান্তদের। এরপর দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে সিলেটকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে তারা।
ফাইনালে রাজশাহীর প্রতিপক্ষ চট্টগ্রাম রয়্যালস। প্লে-অফে হারের বদলা নেওয়ার লক্ষ্য থাকলেও চট্টগ্রাম পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই দারুণ ছন্দে রয়েছে। শুরুতে দলটিকে দুর্বল ভাবা হলেও বিসিবির তত্ত্বাবধানে কোচিং স্টাফ ও দল গঠনে পরিবর্তনের পর বদলে যায় বন্দরনগরীর ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। মাঠের পারফরম্যান্সে তারা প্রমাণ করেছে নিজেদের সামর্থ্য।
এখনও পর্যন্ত বিপিএলে কোনো শিরোপা জিততে পারেনি চট্টগ্রামের কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি। গত আসরে ফাইনালে উঠেও বরিশালের কাছে হারতে হয়েছিল তাদের। তবে এবার অধিনায়ক শেখ মেহেদীর নেতৃত্বে প্রথম শিরোপা ঘরে তুলতে মরিয়া দলটি।
অন্যদিকে, রাজশাহীর ফ্র্যাঞ্চাইজি একবার বিপিএল জয়ের স্বাদ পেয়েছে। ২০১৯–২০ আসরে খুলনা টাইগার্সকে হারিয়ে প্রথম শিরোপা জিতেছিল রাজশাহী রয়্যালস। এরপর আর কোনো আসরে ফাইনাল খেলতে পারেনি রাজশাহীর কোনো দল। তাই এবার চট্টগ্রামকে হারিয়ে দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
নানা নাটকীয়তার পর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসরের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। শিরোপা নির্ধারণী এই ম্যাচে কার হাতে উঠবে ট্রফি—সে অপেক্ষায় ক্রিকেটভক্তরা। নিজেদের সেরা দিয়ে ইতিহাস গড়তে চায় চট্টগ্রাম, আর দ্বিতীয় শিরোপার স্বপ্ন দেখছে রাজশাহী।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে দুই দল।
এবারের আসরের শুরু থেকেই ফেভারিট হিসেবে বিবেচিত ছিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। হেড কোচ হান্নান সরকারের কৌশলী পরিকল্পনায় নিলামের টেবিলেই শক্তিশালী দল গড়ে তোলে বরেন্দ্র অঞ্চলের ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, একঝাঁক তরুণ ক্রিকেটার এবং অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ দল হিসেবে যাত্রা শুরু করে রাজশাহী।
টুর্নামেন্টের শুরুটাও ছিল দুর্দান্ত। প্রথম ম্যাচেই সিলেটকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস পায় দলটি। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে লিগপর্ব শেষে প্লে-অফ নিশ্চিত করে রাজশাহী। তবে প্রথম কোয়ালিফায়ারে চট্টগ্রামের কাছে হার মানতে হয় শান্তদের। এরপর দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে সিলেটকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে তারা।
ফাইনালে রাজশাহীর প্রতিপক্ষ চট্টগ্রাম রয়্যালস। প্লে-অফে হারের বদলা নেওয়ার লক্ষ্য থাকলেও চট্টগ্রাম পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই দারুণ ছন্দে রয়েছে। শুরুতে দলটিকে দুর্বল ভাবা হলেও বিসিবির তত্ত্বাবধানে কোচিং স্টাফ ও দল গঠনে পরিবর্তনের পর বদলে যায় বন্দরনগরীর ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। মাঠের পারফরম্যান্সে তারা প্রমাণ করেছে নিজেদের সামর্থ্য।
এখনও পর্যন্ত বিপিএলে কোনো শিরোপা জিততে পারেনি চট্টগ্রামের কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি। গত আসরে ফাইনালে উঠেও বরিশালের কাছে হারতে হয়েছিল তাদের। তবে এবার অধিনায়ক শেখ মেহেদীর নেতৃত্বে প্রথম শিরোপা ঘরে তুলতে মরিয়া দলটি।
অন্যদিকে, রাজশাহীর ফ্র্যাঞ্চাইজি একবার বিপিএল জয়ের স্বাদ পেয়েছে। ২০১৯–২০ আসরে খুলনা টাইগার্সকে হারিয়ে প্রথম শিরোপা জিতেছিল রাজশাহী রয়্যালস। এরপর আর কোনো আসরে ফাইনাল খেলতে পারেনি রাজশাহীর কোনো দল। তাই এবার চট্টগ্রামকে হারিয়ে দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

আপনার মতামত লিখুন