ঢাকাই চলচ্চিত্র ও বিনোদন অঙ্গনের দুই জনপ্রিয় তারকা — অভিনেত্রী মাহিয়া মাহি ও অভিনেতা‑পরিচালক শাহরিয়ার নাজিম জয়‑এর যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড আবেদন বাতিল হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা করা হলেও তাঁদের আবেদন মার্কিন অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ অনুমোদন পায়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
দু’জনেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করার পর জামানতভুক্ত প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন। তবে অভিবাসন কর্তৃপক্ষ কাগজপত্রের জটিলতা, তথ্যের অসম্পূর্ণতা ও যথাযথ তথ্য উপস্থাপন না হওয়ার কারণে আবেদনকে নাকচ করে দিয়েছে। কর্তৃপক্ষ পুরোপুরি সন্তুষ্ট না হওয়ায় এটি বাতিল হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জয়ের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন প্রসেসিংয়ের সময় “কিছু অতিরিক্ত তথ্য–উপাত্ত” জমা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু সেই তথ্যসমূহ যথাসময়ে বা যথাযথভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব না হওয়ায় আবেদনটি অনুমোদন না পেয়ে বাতিল হয়েছে। জয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে কঠোর নিয়ম রয়েছে; এ কারণে ফাইলটিতে কিছু বাড়তি তথ্য চাওয়া হয়েছিল, যা বর্তমানে আমরা সময়মতো দিতে পারিনি।”
বর্তমানে মার্কিন অভিবাসন নীতিতে বিশেষভাবে তথ্য যাচাই, কাগজপত্রের স্তরীয় প্রমাণাদি এবং আবেদনকারীর ব্যাক্তিগত ইতিহাস‑অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে অতিরিক্ত কর্তৃপক্ষের যাচাই‑বাছাই রয়েছে, যা অনেক আবেদনকেই কঠিন পরীক্ষার বোঝায় পরিণত করেছে। বিশেষত ২০২৪ সালের পর থেকে কিছু ফর্ম বা ডকুমেন্ট — যেমন চিকিৎসা ফর্ম, সংশ্লিষ্ট নথি ইত্যাদির বাধ্যতামূলক অনুপস্থিতি সরাসরি আবেদন বাতিলের কারণ হতে পারে বলে অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন।
দীর্ঘ সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের পরিকল্পনা এবং পেশাগত সুযোগসহ পারিবারিক স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জয় ও মাহি আবেদন করেছিলেন। সূত্র জানায়, জয় তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে প্রায় এক বছর ধরে সেখানে থাকার পরিকল্পনা করেছেন এবং ব্যাপক অর্থ ও সময় ব্যয় করে আবেদনটি সম্পন্ন করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত ফল না পেয়ে তাঁরা হতাশ। মাহি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রেই অবস্থান করছেন, এবং তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কতটা কার্যকর হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়; তবে পুনরায় আবেদন করার সম্ভাবনা রয়েছে।
এই ঘটনার পর বিনোদন অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেক শিল্পীর মতে, মার্কিন অভিবাসন প্রক্রিয়া এখন আগের চেয়ে অনেক কঠিন, এবং তথ্য‑নথি সংক্রান্ত প্রতিটি ধাপকে কড়া তদারকি করা হচ্ছে। ফলে আবেদনকারীদের প্রতিটি দিক থেকে পুরোপুরি প্রস্তুত থাকতে হয়। গত কয়েক বছরে অনেক বাংলাদেশি শিল্পী, পরিচালক ও প্রযোজক গ্রিন কার্ড পেয়েছেন, আবার কেউ কেউ পাননি—এ থেকে স্পষ্ট হয় যে প্রক্রিয়াটি মোটামুটি সহজ নয়।
তবে জয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, এটি চূড়ান্ত নয় এবং সঠিকভাবে প্রয়োজনীয় তথ্য এবং কাগজপত্র প্রস্তুত করে তারা পুনরায় আবেদন করার পরিকল্পনা করছেন। মার্কিন অভিবাসন কর্তৃপক্ষের দেওয়া পর্যবেক্ষণ ঠিকভাবে অনুসরণ করলে ভবিষ্যতে সফল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে অভিমত তাদের।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাকাই চলচ্চিত্র ও বিনোদন অঙ্গনের দুই জনপ্রিয় তারকা — অভিনেত্রী মাহিয়া মাহি ও অভিনেতা‑পরিচালক শাহরিয়ার নাজিম জয়‑এর যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড আবেদন বাতিল হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা করা হলেও তাঁদের আবেদন মার্কিন অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ অনুমোদন পায়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
দু’জনেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করার পর জামানতভুক্ত প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন। তবে অভিবাসন কর্তৃপক্ষ কাগজপত্রের জটিলতা, তথ্যের অসম্পূর্ণতা ও যথাযথ তথ্য উপস্থাপন না হওয়ার কারণে আবেদনকে নাকচ করে দিয়েছে। কর্তৃপক্ষ পুরোপুরি সন্তুষ্ট না হওয়ায় এটি বাতিল হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জয়ের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন প্রসেসিংয়ের সময় “কিছু অতিরিক্ত তথ্য–উপাত্ত” জমা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু সেই তথ্যসমূহ যথাসময়ে বা যথাযথভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব না হওয়ায় আবেদনটি অনুমোদন না পেয়ে বাতিল হয়েছে। জয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে কঠোর নিয়ম রয়েছে; এ কারণে ফাইলটিতে কিছু বাড়তি তথ্য চাওয়া হয়েছিল, যা বর্তমানে আমরা সময়মতো দিতে পারিনি।”
বর্তমানে মার্কিন অভিবাসন নীতিতে বিশেষভাবে তথ্য যাচাই, কাগজপত্রের স্তরীয় প্রমাণাদি এবং আবেদনকারীর ব্যাক্তিগত ইতিহাস‑অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে অতিরিক্ত কর্তৃপক্ষের যাচাই‑বাছাই রয়েছে, যা অনেক আবেদনকেই কঠিন পরীক্ষার বোঝায় পরিণত করেছে। বিশেষত ২০২৪ সালের পর থেকে কিছু ফর্ম বা ডকুমেন্ট — যেমন চিকিৎসা ফর্ম, সংশ্লিষ্ট নথি ইত্যাদির বাধ্যতামূলক অনুপস্থিতি সরাসরি আবেদন বাতিলের কারণ হতে পারে বলে অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন।
দীর্ঘ সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের পরিকল্পনা এবং পেশাগত সুযোগসহ পারিবারিক স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জয় ও মাহি আবেদন করেছিলেন। সূত্র জানায়, জয় তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে প্রায় এক বছর ধরে সেখানে থাকার পরিকল্পনা করেছেন এবং ব্যাপক অর্থ ও সময় ব্যয় করে আবেদনটি সম্পন্ন করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত ফল না পেয়ে তাঁরা হতাশ। মাহি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রেই অবস্থান করছেন, এবং তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কতটা কার্যকর হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়; তবে পুনরায় আবেদন করার সম্ভাবনা রয়েছে।
এই ঘটনার পর বিনোদন অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেক শিল্পীর মতে, মার্কিন অভিবাসন প্রক্রিয়া এখন আগের চেয়ে অনেক কঠিন, এবং তথ্য‑নথি সংক্রান্ত প্রতিটি ধাপকে কড়া তদারকি করা হচ্ছে। ফলে আবেদনকারীদের প্রতিটি দিক থেকে পুরোপুরি প্রস্তুত থাকতে হয়। গত কয়েক বছরে অনেক বাংলাদেশি শিল্পী, পরিচালক ও প্রযোজক গ্রিন কার্ড পেয়েছেন, আবার কেউ কেউ পাননি—এ থেকে স্পষ্ট হয় যে প্রক্রিয়াটি মোটামুটি সহজ নয়।
তবে জয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, এটি চূড়ান্ত নয় এবং সঠিকভাবে প্রয়োজনীয় তথ্য এবং কাগজপত্র প্রস্তুত করে তারা পুনরায় আবেদন করার পরিকল্পনা করছেন। মার্কিন অভিবাসন কর্তৃপক্ষের দেওয়া পর্যবেক্ষণ ঠিকভাবে অনুসরণ করলে ভবিষ্যতে সফল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে অভিমত তাদের।

আপনার মতামত লিখুন