ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার দক্ষিণ কামারগ্রাম এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
সেনা সূত্র জানায়, সোমবার (২০ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দক্ষিণ কামারগ্রাম এলাকায় মাদক লেনদেন চলছে। এমন সংবাদের পর বোয়ালমারী আর্মি ক্যাম্পের নেতৃত্বে ১৫ রিভারাইন ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন ও স্থানীয় পুলিশের সমন্বয়ে একটি যৌথ দল দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে মোঃ রবিন শেখ (৩০) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি দক্ষিণ কামারগ্রাম গ্রামের মোঃ মুরাদ শেখের ছেলে। তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে আটক আসামি ও উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য বোয়ালমারী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সেনা সূত্র আরও জানায়, অবৈধ মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। অপরাধ দমনে সেনা ক্যাম্পসমূহকে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহায়তা করার জন্য সর্বসাধারণের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার দক্ষিণ কামারগ্রাম এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
সেনা সূত্র জানায়, সোমবার (২০ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দক্ষিণ কামারগ্রাম এলাকায় মাদক লেনদেন চলছে। এমন সংবাদের পর বোয়ালমারী আর্মি ক্যাম্পের নেতৃত্বে ১৫ রিভারাইন ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন ও স্থানীয় পুলিশের সমন্বয়ে একটি যৌথ দল দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে মোঃ রবিন শেখ (৩০) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি দক্ষিণ কামারগ্রাম গ্রামের মোঃ মুরাদ শেখের ছেলে। তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে আটক আসামি ও উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য বোয়ালমারী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সেনা সূত্র আরও জানায়, অবৈধ মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। অপরাধ দমনে সেনা ক্যাম্পসমূহকে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহায়তা করার জন্য সর্বসাধারণের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন