শরীয়তপুর প্রতিনিধি: শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলায় “পদ্মার হাওয়ার শপথ করি, মাদকমুক্ত শরীয়তপুর গড়ি” -এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মাদকবিরোধী সমাবেশ ও সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
ডামুড্যা উপজেলা সদরে আয়োজিত এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিচালক ইব্রাহিম হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোসাইরহাট সার্কেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরফিন, শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক মিজ তাহসিন বেগম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিন আয়ুবী এবং ডামুড্যা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক।
সমাবেশে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উজ্জ্বল শিকদার, আলমগীর মাদবরসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে মাদকবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান, আলোচনা ও সচেতনতামূলক বক্তব্যে পরিবেশ মুখরিত হয়ে ওঠে।
বক্তারা বলেন, মাদক আজ সমাজের জন্য একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে, যা বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তারা উল্লেখ করেন, মাদকের বিস্তার রোধে প্রশাসনের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সকল স্তরের মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। মাদকবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলাই এই সমস্যার টেকসই সমাধান হতে পারে বলে তারা মত দেন।
এছাড়া বক্তারা আরও বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ নয়, বরং সামাজিক আন্দোলন হিসেবে মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে হবে। তরুণদের খেলাধুলা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপরও তারা গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মোজাম্মেল হক। তার সঞ্চালনায় সমাবেশে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন বক্তা মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
সমাবেশ শেষে একটি বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণকারীরা ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানের মাধ্যমে মাদকবিরোধী বার্তা ছড়িয়ে দেন। পুরো এলাকা জুড়ে মাদকবিরোধী শপথ, স্লোগান ও প্রচারণায় এক ধরনের জনসচেতনতার পরিবেশ তৈরি হয়।
স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে এবং তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করছে। তারা ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এ ধরনের কর্মসূচি আয়োজনের দাবি জানান, যাতে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের আন্দোলন আরও শক্তিশালী হয়।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
শরীয়তপুর প্রতিনিধি: শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলায় “পদ্মার হাওয়ার শপথ করি, মাদকমুক্ত শরীয়তপুর গড়ি” -এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মাদকবিরোধী সমাবেশ ও সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
ডামুড্যা উপজেলা সদরে আয়োজিত এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিচালক ইব্রাহিম হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোসাইরহাট সার্কেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরফিন, শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক মিজ তাহসিন বেগম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিন আয়ুবী এবং ডামুড্যা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক।
সমাবেশে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উজ্জ্বল শিকদার, আলমগীর মাদবরসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে মাদকবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান, আলোচনা ও সচেতনতামূলক বক্তব্যে পরিবেশ মুখরিত হয়ে ওঠে।
বক্তারা বলেন, মাদক আজ সমাজের জন্য একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে, যা বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তারা উল্লেখ করেন, মাদকের বিস্তার রোধে প্রশাসনের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সকল স্তরের মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। মাদকবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলাই এই সমস্যার টেকসই সমাধান হতে পারে বলে তারা মত দেন।
এছাড়া বক্তারা আরও বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ নয়, বরং সামাজিক আন্দোলন হিসেবে মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে হবে। তরুণদের খেলাধুলা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপরও তারা গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মোজাম্মেল হক। তার সঞ্চালনায় সমাবেশে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন বক্তা মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
সমাবেশ শেষে একটি বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণকারীরা ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানের মাধ্যমে মাদকবিরোধী বার্তা ছড়িয়ে দেন। পুরো এলাকা জুড়ে মাদকবিরোধী শপথ, স্লোগান ও প্রচারণায় এক ধরনের জনসচেতনতার পরিবেশ তৈরি হয়।
স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে এবং তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করছে। তারা ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এ ধরনের কর্মসূচি আয়োজনের দাবি জানান, যাতে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের আন্দোলন আরও শক্তিশালী হয়।

আপনার মতামত লিখুন