বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ১১ দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়া ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে আসন সমঝোতার আর কোনো সুযোগ নেই। বাকি ৪৭ আসন জোটের শক্তিশালী অবস্থান ও জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে বণ্টন করা হবে বলে তিনি জানান।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মামুনুল হক। তিনি ইসলামী আন্দোলনের সরে যাওয়ার পেছনে তৃতীয় পক্ষের কোনো ইন্ধন নেই দাবি করেন এবং বলেন, “বোঝাপড়ার ঘাটতি থেকেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এতে ভোটের মাঠে খুব বেশি প্রভাব পড়বে না।”
মামুনুল হক আরও বলেন, নির্বাচনের আগে ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে নতুন করে কোনো বৈঠকের সম্ভাবনা নেই। তবে তারা যদি জোটে ফিরতে চায়, তাহলে সাদরে গ্রহণ করা হবে। নতুবা বাকি আসনগুলো জোটের শক্তিশালী অবস্থান ও জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে বণ্টন করা হবে।
শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন সংক্রান্ত ইসলামী আন্দোলনের বক্তব্যকে তিনি সঠিক নয় বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “ইসলামী মূল্যবোধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা থেকে যে জোটের সূচনা হয়েছিল, আদর্শিক অবস্থান থেকে কেউ পিছপা হয়নি। জোটের ভেতরে মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে তা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করেই সামনে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে জামায়াতসহ ১০ দলীয় জোটের ২৫৩ আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়। এর পরদিন শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান ঘোষণা দেন, তারা ২৬৮টি আসনে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ১১ দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়া ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে আসন সমঝোতার আর কোনো সুযোগ নেই। বাকি ৪৭ আসন জোটের শক্তিশালী অবস্থান ও জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে বণ্টন করা হবে বলে তিনি জানান।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মামুনুল হক। তিনি ইসলামী আন্দোলনের সরে যাওয়ার পেছনে তৃতীয় পক্ষের কোনো ইন্ধন নেই দাবি করেন এবং বলেন, “বোঝাপড়ার ঘাটতি থেকেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এতে ভোটের মাঠে খুব বেশি প্রভাব পড়বে না।”
মামুনুল হক আরও বলেন, নির্বাচনের আগে ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে নতুন করে কোনো বৈঠকের সম্ভাবনা নেই। তবে তারা যদি জোটে ফিরতে চায়, তাহলে সাদরে গ্রহণ করা হবে। নতুবা বাকি আসনগুলো জোটের শক্তিশালী অবস্থান ও জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে বণ্টন করা হবে।
শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন সংক্রান্ত ইসলামী আন্দোলনের বক্তব্যকে তিনি সঠিক নয় বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “ইসলামী মূল্যবোধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা থেকে যে জোটের সূচনা হয়েছিল, আদর্শিক অবস্থান থেকে কেউ পিছপা হয়নি। জোটের ভেতরে মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে তা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করেই সামনে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে জামায়াতসহ ১০ দলীয় জোটের ২৫৩ আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়। এর পরদিন শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান ঘোষণা দেন, তারা ২৬৮টি আসনে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

আপনার মতামত লিখুন