বাংলাদেশে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আজ শুক্রবার নাগরিক শোকসভা ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নাগরিক সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছে, এবং এটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয় — বরং খালেদা জিয়ার জীবন ও অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়েছে।
শোকসভা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় দুপুর ২:৩০ টায়, যেখানে বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত হয়েছেন। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমানসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা এ শোকসভায় অংশ নিয়েছেন। এতে বিএনপি’র শীর্ষ নেতারা, অভিজাত শ্রেণির ব্যক্তিত্ব, পেশাজীবী এবং সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তা ও আনুষ্ঠানিকতা জোরদার করা হয়েছে, এবং আমন্ত্রণপত্রসহ আগত অতিথিরা অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করছেন।
এ অনুষ্ঠানের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ও মানবিক অবদানকে স্মরণ করা এবং তার জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা। নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে আয়োজিত এই শোকসভায় বক্তারা তাঁর ভূমিকা ও জীবনের প্রভাব নিয়ে মন্তব্য করেছেন।
এর পাশাপাশি খালেদা জিয়ার সংগ্রামী জীবন ও কর্ম তুলে ধরে আলোকচিত্র প্রদর্শনীও আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি‑ঢাকা আয়োজিত। এতে তার রাজনৈতিক জীবনের নানা মুহূর্তগুলোর ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে।
আজকের একাধিক অনুষ্ঠানের সময়, যেমন আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও সংবাদ সম্মেলনে, বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ছিল নিরাপদ, কারণ একজন বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন।
আরেকটি ঘটনা হচ্ছে, আজ বেগম খালেদা জিয়ার কবরে অনেক নেতা‑কর্মী ও সাধারণ মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হয়েছেন, যেখানে তারা তার সমাধিতে ফুল অর্পণ ও দোয়া আয়োজিত করেন।
আজকের দিনটিতে এই শোকসভা ও নাগরিক শ্রদ্ধা প্রদর্শনী দেশের শীর্ষ রাজনীতি ও সামাজিক সম্মান প্রদর্শনের প্রধান খবর হিসেবে উঠে এসেছে, এবং দেশজুড়ে এর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন মিডিয়ায়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আজ শুক্রবার নাগরিক শোকসভা ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নাগরিক সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছে, এবং এটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয় — বরং খালেদা জিয়ার জীবন ও অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়েছে।
শোকসভা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় দুপুর ২:৩০ টায়, যেখানে বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত হয়েছেন। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমানসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা এ শোকসভায় অংশ নিয়েছেন। এতে বিএনপি’র শীর্ষ নেতারা, অভিজাত শ্রেণির ব্যক্তিত্ব, পেশাজীবী এবং সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তা ও আনুষ্ঠানিকতা জোরদার করা হয়েছে, এবং আমন্ত্রণপত্রসহ আগত অতিথিরা অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করছেন।
এ অনুষ্ঠানের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ও মানবিক অবদানকে স্মরণ করা এবং তার জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা। নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে আয়োজিত এই শোকসভায় বক্তারা তাঁর ভূমিকা ও জীবনের প্রভাব নিয়ে মন্তব্য করেছেন।
এর পাশাপাশি খালেদা জিয়ার সংগ্রামী জীবন ও কর্ম তুলে ধরে আলোকচিত্র প্রদর্শনীও আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি‑ঢাকা আয়োজিত। এতে তার রাজনৈতিক জীবনের নানা মুহূর্তগুলোর ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে।
আজকের একাধিক অনুষ্ঠানের সময়, যেমন আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও সংবাদ সম্মেলনে, বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ছিল নিরাপদ, কারণ একজন বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন।
আরেকটি ঘটনা হচ্ছে, আজ বেগম খালেদা জিয়ার কবরে অনেক নেতা‑কর্মী ও সাধারণ মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হয়েছেন, যেখানে তারা তার সমাধিতে ফুল অর্পণ ও দোয়া আয়োজিত করেন।
আজকের দিনটিতে এই শোকসভা ও নাগরিক শ্রদ্ধা প্রদর্শনী দেশের শীর্ষ রাজনীতি ও সামাজিক সম্মান প্রদর্শনের প্রধান খবর হিসেবে উঠে এসেছে, এবং দেশজুড়ে এর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন মিডিয়ায়।

আপনার মতামত লিখুন