পঞ্চগড়ের উপজেলার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীদের মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে এলাকায় উত্তাপ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আটোয়ারী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের বাংলা শিক্ষিকা সুলতানা রাজিয়া। এনিয়ে গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ওই শিক্ষার্থীদের অবিভাবকের একটি অংশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের দাবি, ওই শিক্ষিকা নিয়মিতভাবে ক্লাস চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কঠোর আচরণ করে থাকেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি কক্ষের ভদ্র আচরণ ভঙ্গ করলে শিক্ষার্থীদের কাছে নিচের স্তরে অপমানজনক ভাষায় কথা বলেন, গালিগালাজ করেন এবং বারংবার নানা কারণে শাস্তিমূলক মন্তব্য করে থাকেন। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভয়, মানসিক চাপ ও অস্বস্তির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিভাবকরা জানান।
এক অভিভাবক বলেন, “শিক্ষকটির আচরণ কখনোই সহ্য যোগ্য নয় — তিনি ছোট ভুলেও শিক্ষার্থীদের অপমান করেন, এতে ছেলেমেয়েরা মানসিকভাবে ভুগছে।” অভিভাবকরা আরও বলেন, ওই শিক্ষিকা নিজের বাসায় একটি কোচিং সেন্টার খুলে বসেছে। তার কোচিং সেন্টারে যারা পড়ে তাদেরকে ক্লাসরুমে পড়া ধরেন না। আর যারা তার কোচিং সেন্টারে পড়েনা তাদেরকে পড়া ধরা সহ বিভিন্ন ভাবে মানসিক নির্যাতন করে। বিষয়টি তারা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানালে ব্যাবস্থাপনা পর্যায়ে তদন্ত কমিটি গঠনের প্রতিশ্রুতি দিলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
বিদ্যালয়ের ছাত্র প্রতিনিধি একটি লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেছেন যে, শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে উঁচুপর্দায় উচ্চস্বরে কথা বলার জন্য শিক্ষার্থীদের বারবার তিরস্কার করেন এবং তাদের সামনে অসমর্থনমূলক মন্তব্য করেন, যা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস হ্রাস করছে। তারা দাবি করেন, দ্রুত এই বিষয়ে পরিবর্তন না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথও তারা বেছে নিতে পারে।
এবিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুসের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
আর উপজেলা শিক্ষা অফিসার জানান, অভিযোগ পেয়েছেন এবং ইতোমধ্যে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি বলছেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
পঞ্চগড়ের উপজেলার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীদের মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে এলাকায় উত্তাপ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আটোয়ারী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের বাংলা শিক্ষিকা সুলতানা রাজিয়া। এনিয়ে গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ওই শিক্ষার্থীদের অবিভাবকের একটি অংশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের দাবি, ওই শিক্ষিকা নিয়মিতভাবে ক্লাস চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কঠোর আচরণ করে থাকেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি কক্ষের ভদ্র আচরণ ভঙ্গ করলে শিক্ষার্থীদের কাছে নিচের স্তরে অপমানজনক ভাষায় কথা বলেন, গালিগালাজ করেন এবং বারংবার নানা কারণে শাস্তিমূলক মন্তব্য করে থাকেন। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভয়, মানসিক চাপ ও অস্বস্তির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিভাবকরা জানান।
এক অভিভাবক বলেন, “শিক্ষকটির আচরণ কখনোই সহ্য যোগ্য নয় — তিনি ছোট ভুলেও শিক্ষার্থীদের অপমান করেন, এতে ছেলেমেয়েরা মানসিকভাবে ভুগছে।” অভিভাবকরা আরও বলেন, ওই শিক্ষিকা নিজের বাসায় একটি কোচিং সেন্টার খুলে বসেছে। তার কোচিং সেন্টারে যারা পড়ে তাদেরকে ক্লাসরুমে পড়া ধরেন না। আর যারা তার কোচিং সেন্টারে পড়েনা তাদেরকে পড়া ধরা সহ বিভিন্ন ভাবে মানসিক নির্যাতন করে। বিষয়টি তারা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানালে ব্যাবস্থাপনা পর্যায়ে তদন্ত কমিটি গঠনের প্রতিশ্রুতি দিলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
বিদ্যালয়ের ছাত্র প্রতিনিধি একটি লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেছেন যে, শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে উঁচুপর্দায় উচ্চস্বরে কথা বলার জন্য শিক্ষার্থীদের বারবার তিরস্কার করেন এবং তাদের সামনে অসমর্থনমূলক মন্তব্য করেন, যা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস হ্রাস করছে। তারা দাবি করেন, দ্রুত এই বিষয়ে পরিবর্তন না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথও তারা বেছে নিতে পারে।
এবিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুসের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
আর উপজেলা শিক্ষা অফিসার জানান, অভিযোগ পেয়েছেন এবং ইতোমধ্যে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি বলছেন।

আপনার মতামত লিখুন