আসন্ন ২০২৬ অনূর্ধ্ব‑১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ‑এর জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) আজ ম্যাচ অফিসিয়ালদের তালিকা ঘোষণা করেছে। এবারের আসর জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া আয়োজিত হবে এবং ১৫ জানুয়ারি থেকে খেলাগুলো শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।
আইসিসি‑র প্রকাশিত এই তালিকায় মোট ২১ জন কর্মকর্তা স্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালন করবেন, যার মধ্যে রয়েছে ১৭ জন আম্পায়ার এবং ৪ জন ম্যাচ রেফারি। খেলাগুলোর সুষ্ঠু পরিচালনা, নিয়মের যথাযথ প্রয়োগ ও ন্যায্য সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান দায়িত্ব হবে।
তালিকায় আন্তর্জাতিক মানের অভিজ্ঞ আম্পায়ারদের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকেও একজন দায়িত্ব পেয়েছেন। মাসুদুর রহমান মুকুল আম্পায়ারের ভূমিকায় দায়িত্ব পালন করবেন এবং নিয়ামুর রশিদ রাহুল ম্যাচ রেফারি হিসেবে প্যানেলের সদস্য হিসেবে নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তাদের এই পদায়ন বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য গর্বের বিষয় হিসেবে দেখানো হচ্ছে।
আইসিসি প্রধান নির্বাহী সঞ্জোগ গুপ্তা বলেছেন, অনূর্ধ্ব‑১৯ বিশ্বকাপ শুধু উঠতি তারকাদের জন্য নয়, বরং প্রশাসনিক ও অফিসিয়ালদের জন্যও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিতি তৈরির সুযোগ। তিনি যোগ করেছেন, এই টুর্নামেন্টে দায়িত্ব পাওয়া কর্মকর্তারা ভবিষ্যতে উচ্চ স্তরের আন্তর্জাতিক ম্যাচও পরিচালনার সুযোগ পাবেন।
বাংলাদেশে ক্রিকেট বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কর্মকর্তাদের এই আন্তর্জাতিক দায়িত্ব দেশের ক্রিকেট প্রশাসনের সক্ষমতা ও মানকে স্বীকৃতি দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকে আরও শক্তিশালী করবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ২০২৬ অনূর্ধ্ব‑১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ‑এর জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) আজ ম্যাচ অফিসিয়ালদের তালিকা ঘোষণা করেছে। এবারের আসর জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া আয়োজিত হবে এবং ১৫ জানুয়ারি থেকে খেলাগুলো শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।
আইসিসি‑র প্রকাশিত এই তালিকায় মোট ২১ জন কর্মকর্তা স্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালন করবেন, যার মধ্যে রয়েছে ১৭ জন আম্পায়ার এবং ৪ জন ম্যাচ রেফারি। খেলাগুলোর সুষ্ঠু পরিচালনা, নিয়মের যথাযথ প্রয়োগ ও ন্যায্য সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান দায়িত্ব হবে।
তালিকায় আন্তর্জাতিক মানের অভিজ্ঞ আম্পায়ারদের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকেও একজন দায়িত্ব পেয়েছেন। মাসুদুর রহমান মুকুল আম্পায়ারের ভূমিকায় দায়িত্ব পালন করবেন এবং নিয়ামুর রশিদ রাহুল ম্যাচ রেফারি হিসেবে প্যানেলের সদস্য হিসেবে নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তাদের এই পদায়ন বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য গর্বের বিষয় হিসেবে দেখানো হচ্ছে।
আইসিসি প্রধান নির্বাহী সঞ্জোগ গুপ্তা বলেছেন, অনূর্ধ্ব‑১৯ বিশ্বকাপ শুধু উঠতি তারকাদের জন্য নয়, বরং প্রশাসনিক ও অফিসিয়ালদের জন্যও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিতি তৈরির সুযোগ। তিনি যোগ করেছেন, এই টুর্নামেন্টে দায়িত্ব পাওয়া কর্মকর্তারা ভবিষ্যতে উচ্চ স্তরের আন্তর্জাতিক ম্যাচও পরিচালনার সুযোগ পাবেন।
বাংলাদেশে ক্রিকেট বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কর্মকর্তাদের এই আন্তর্জাতিক দায়িত্ব দেশের ক্রিকেট প্রশাসনের সক্ষমতা ও মানকে স্বীকৃতি দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকে আরও শক্তিশালী করবে।

আপনার মতামত লিখুন